৯ বছর পর নিজস্ব ভবন

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২১ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৬,   ১৫ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

৯ বছর পর নিজস্ব ভবন

 প্রকাশিত: ১৫:২২ ৯ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:৩৯ ৯ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পুরোনো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর পর নিজস্ব ভবন পেল মংলা মডেল থানা পুলিশ। 

গত ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নতুন এ থানা ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরোনো ভবনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ডের পরিত্যক্ত হাসপাতাল ভবনটি ভাড়া নিয়ে মংলা  থানা পুলিশের কার্যক্রম চলছিল।

নতুন ভবন পেয়ে পুলিশ সদস্যরা অনুপ্রাণিত এবং নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছে। তাদের বক্তব্য, আমরা এখন আরো পূর্নাঙ্গভাবে জনসাধারণকে সেবা দিতে পারব, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী মংলায় নবনির্মিত থানা উদ্বোধন করেছেন। 

শুক্রবার নতুন থানা ভবনে গিয়ে দেখা যায়, আধুনিক সুবিধা সংবলিত পাঁচতলা এ ভবনে কনফারেন্স কক্ষ, প্রার্থনা কক্ষ, খাবার কক্ষ,শিশু বান্ধব কক্ষসহ প্রত্যেক স্টাফের বসার পৃথক কক্ষ আছে। পুরুষের পাশাপাশি নারীর জন্যে আলাদা হাজতখানা রয়েছে। বৃহৎ অস্ত্রাগার ও মালখানাও রয়েছে।

মংলায় স্বাধীনতা পরবর্তী সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পুরো উপজেলায় পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয় একটি টিনের ছাউনী দেয়া ফাঁড়ি অফিস দিয়ে। এর কিছুদিন পর মংলা থানায় রুপান্তরিত হলেও বরাদ্দ মেলেনি উন্নত মানের থানা ভবনের। তাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি পুরাতন ভবনে দীর্ঘদিন চলেছে মংলা থানা পুলিশের কার্যক্রম। 

এখানকার উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বর্তমান সরকার ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন এ থানা ভবন নির্মাণের ফলে ঝুঁকিমুক্ত হবে দুর্যোগসহ নানা প্রতিকুলতার হাত থেকে। তবে এ নতুন ভবনটি নির্মিত হওয়ায় যতই সমস্যা থাকুক তার মধ্যেও নিরাপদ ও স্বাছন্দে থাকবে পুলিশের প্রতিটি সদস্য।

মংলা মডেল  থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধূরী  বলেন, ২০১৪ সালে ৯ কোটি টাকা ব্যয় ধরে মংলা নদীর পাশে এ আধুনিক ভবনের কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে এ ভবনের কাজ শেষ হয়। গত ১ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর রোববার দুপুরে নতুন ভবনে পুলিশের সকল কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানান্তর উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মংলা-রামপালের এমপি হাবিবুন নাহার,বাগেরহাট জেলা এসপি পংকজ কুমার রায়,উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এইচ এম দুলাল, ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মাদ আলী ছিদ্দিকী, মংলা প্রেস কাবের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব হাসান, সাবেক সা. সম্পাদক মো. হাসান গাজী, আমির হোসেন আমু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সুনিল কুমার বিশ্বাস, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ. রহমান, থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ফকির আবুল কালাম আজাদ,ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবার হোসেন,মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম,মো. ইস্রাফিল হাওলাদার,নিখিল চন্দ্র রায়, থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আল মামুনসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Best Electronics