৭০০ কেজি ওজনের ১০ ফুট লম্বা পাখির বংশধরই হলো মুরগি!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191710 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

৭০০ কেজি ওজনের ১০ ফুট লম্বা পাখির বংশধরই হলো মুরগি!

সাতরঙ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১২ ৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৩:৩১ ৩ জুলাই ২০২০

ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

মহাকাশের গ্রহাণুগুলোর মধ্যে পৃথিবী বেশ পুরনো। এর বয়স আনুমানিক প্রায় ৫০০ কোটি বছর। এই পুরো সময় ধরে অনেক প্রাণী এসেছে পৃথিবীতে। যার অনেকটাই এখন বিলুপ্ত। আবার অনেকগুলো আকার পরিবর্তন হয়ে টিকে আছে এখনো। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন একসময়ের বিশালদেহী সেই ডাইনোসরের বংশধর নাকি টিকটিকি। এমনই অনেক জন্তু আর পাখি আছে। বেশ কিছু বছর আগে মাদাগাস্কার দ্বীপের বাসিন্দারা একটি পাখিকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছিলেন। যেটি সাধারণ পাখির তুলনায় বেশ বড় এবং কেউ চিনতে পারছিল না এটা কি পাখি। 

পাখিটিকে টপ ফেলে ধরা হয়। ওজন করে দেখা যায় প্রায় ৭০০ কেজি ওজন আর ১০ ফুট লম্বা পাখিটি। গবেষকরা ধারণা করছেন, এটি এলিফ্যান্ট বার্ডের কোনো এক প্রজাতি। যদিও এই পাখি ছিল আরো কয়েক হাজার বছর পূর্বে। ২০০ বছর আগেও নাকি এর অস্তিত্ব পেয়েছেন তারা। 

এলিফ্যান্ট বার্ডের ডিম ও মুরগির ডিমমাদাগাস্কারের ফরাসি গভর্নর আতিয়েন ডি ফ্লাকর্ট বলেন, ১৭ শতাব্দীতে একটি বিশাল পাখি যা আম্পাত্রেসকে হান্টে রাতের বেলায় ডিম পারত। ডিম ছিল স্বাভাবিক পাখির ডিমের তুলনায় কয়েকশো গুণ বড়। তবে দিনের বেলায় নাকি পাখিটিকে কখনোই কেউ দেখেনি। ১৯ শতক জুড়ে, মাদাগাস্কারে ইউরোপীয় ভ্রমণকারীরা বিশাল আকারের ডিম এবং ডিমের খোসা দেখেছে বলেও জানান তিনি।  

এলিফ্যান্ট পাখি তিনটি ভিন্ন গঠনে পৃথিবীতে টিকে থেকেছে। এর প্রথমটি মুল্লেরোর্নিস, ভোরোম্বে, অ্যাপিয়োর্নিস। যার মধ্যে ভোরোম্বে টাইটান ছিল বৃহত্তম। এর ওজন ছিল ৭৩০ কেজির আশেপাশে। তবে এতে অনেক গবেষক বাধ সাধেন। তাদের মতে এর ওজন ছিল ৮৬০ কেজির মতো।   

ধারণা করা হয়, ১৭ শতাব্দীর শুরুর দিকে এলিফ্যান্ট পাখি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এমনো প্রমাণ মিলেছে যে, মানুষ খাবারের জন্য পাখিটিকে শিকার করত এবং তাদের ডিম খেত। তবে এই পাখির বিলুপ্তির জন্য মানুষই একমাত্র ভূমিকা ছিল কি-না তা জানা যায়নি। ১৯ শতকে সেকাহ্নে ভ্রমণকারীরা ডিম্বাকৃতি ডিমের খোসা পেয়েছিলেন। যা তারা বাটি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এর খোসা ছিল খুবই শক্ত।  

২০০ বছর আগে এভাবেই মাঠে ঘাটে বিচরণ করত এলিফ্যান্ট বার্ডসাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাপ্ত অ্যাপিয়োর্নিস ম্যাক্সিমাসের লেগের হাড়গুলো প্রায় সাড়ে ১০ হাজার বছর পূর্বের। আর এই দ্বীপে মানুষের আগমন প্রায় আট হাজার বছর আগে। অর্থাৎ মানুষের আসার আগেই এই পাখি বিলুপ্ত হয়েছিল। দ্বীপে মানুষ আসার পর হয়ত এই পাখির আনাগোনা কমে যায়। সেই সঙ্গে মানুষের শিকারের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যায় এই দ্বীপ থেকে।   

আরেকটি তত্ত্ব মতে, বর্তমানের হাঁস-মুরগি এই পাখির বর্তমান প্রজন্ম বলে মনে করা হয়। কারন এলিফ্যান্ট পাখির ফসিলের সঙ্গে এখনকার মুরগির বেশ মিল রয়েছে। এমনকি এদের গড়ন, স্বভাব, ডিম সব কিছুর সঙ্গেই মিল রয়েছে বেশ অনেকখানি। ধারণা করা হয়, মানুষের মতোই এই পাখিও আকারে ছোট হতে হতে মুরগির আকারে এখনো পৃথিবীতে টিকে আছে। 

সূত্র: অ্যামিউজিংপ্লানেট

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস