ঢাকা, শনিবার   ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯,   ফাল্গুন ৩ ১৪২৫,   ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪০

৬ দফার দাবিতে ফের সড়কে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৭:১০ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৭:১০ ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অধ্যক্ষের বরখাস্তসহ ছয়টি দাবি মেনে নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বেলা ৩টার দিকে সড়কে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এর আগে অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষককে বরখাস্তের নির্দেশ দেয়া হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- অধ্যক্ষসহ বাকি শিক্ষকদের পদত্যাগের লিখিত আদেশ জনসম্মুখে দেখাতে হবে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, ভিকারুননিসা স্কুলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধ করতে হবে, কথায় কথায় টিসির ভয় দেখানো যাবে না, মানসিক সুস্থতার জন্য শিক্ষকদের মানসিক চিকিৎসক দিয়ে কাউন্সিলিং করতে হবে, গভর্নিং বডির সবাইকে অপসারণ করতে হবে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডিকে প্রিন্সিপাল (ভারপ্রাপ্ত) নাজনীন ফেরদৌস, বেইলি রোড ক্যাম্পাসের প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আরা ও শিক্ষক হাসনা হেনাকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়।

গতকাল মঙ্গলবার মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে অধ্যক্ষ-শিক্ষকসহ এই তিনজনকে আসামি করে পল্টন থানায় মামলা করেন অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী।

দিলীপ অধিকারীর অভিযোগ, রোববার পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে, এমন অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে সোমবার স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে