৬৯`র গণ অভ্যুত্থানের চার শহীদকে স্মরণ

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

৬৯`র গণ অভ্যুত্থানের চার শহীদকে স্মরণ

নোয়াখালী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৮ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৩:৪৮ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নোয়াখালীর সেনবাগে ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে  চার শহীদের স্মরণে মানববন্ধন হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সেনবাগ থানা চত্ত্বরে সেনবাগ লেখক ফোরাম আয়োজনে এ মানববন্ধন হয়।

৬৯'এর ১৯ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত চার শহীদ হলেন- উপজেলার অর্জুনতলা গ্রামের শহীদ অফিজের রহমান, বাবুপুর গ্রামের শহীদ আবুল কালাম আজাদ, জিরুয়া গ্রামের শহীদ সামছুল হক ও মোহাম্মদপুর গ্রামের শহীদ খুরশিদ আলম।

বক্তব্য রাখেন সেনবাগ লেখক ফোরামের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, সেনবাগ প্রেস ক্লাব সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক এম এ আউয়াল প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, গণ অভ্যুত্থানে সেনবাগে পুলিশের গুলিতে চারজন শহীদ হওয়ার ঘটনার ৫০ বছর আজ।  তাদের এখনো স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। শহীদদের স্বীকৃতির দাবি জানাই।

গণ অভ্যুত্থানে পঙ্গত্ববরণকারী মাস্টার নাছির উদ্দিন বলেন, গণ অভ্যুত্থানের সূত্র ধরেই দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়।  দেশ স্বাধীন হওয়ার  এতোদিন পরও তাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি করছি।

কর্মসূচিতে লেখক ফোরামের নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 ১৯ ফেব্রুয়ারিতে সেনবাগে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালন করে থানা সদরে মিছিল ও প্রতিষ্ঠানে কালো পতাকা তোলা হয়। এতে পুলিশ ও ছাত্রজনতার মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশের গুলিতে আবুল কালাম শহিদ হন। পরে থানা ঘেরাও করে অগ্নি সংযোগ করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি করলে সেনবাগ হাই স্কুলের ছাত্র খোরশেদ, সামছুল হক ও শ্রমিক অফিজ শহিদ হন।  আহত হন ১৭ জন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ