৪০ বছর পর আজ গ্যালারি মাতাবেন ইরানি নারীরা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=137363 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৩ ১৪২৭,   ২৯ মুহররম ১৪৪২

Beximco LPG Gas

৪০ বছর পর আজ গ্যালারি মাতাবেন ইরানি নারীরা

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৩১ ১০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১২:৪১ ১০ অক্টোবর ২০১৯

সংগৃহীত

সংগৃহীত

চার দশক পর ইরানের হাজার-হাজার নারী স্টেডিয়ামে বসে পুরুষদের ফুটবল ম্যাচ দেখবেন আজ। 

সম্প্রতি ফিফা ইরানকে হুমকি দিয়েছিল, নারীবর্জিত ফুটবল ম্যাচ চলতে থাকলে তাদের নির্বাসিত করা হতে পারে। এ হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন নমনীয় হল বলে মনে করা হচ্ছে। ধর্মীয় নেতাদের নির্দেশেই প্রায় ৪০ বছর সে দেশে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ দেখতে দেয়া হচ্ছে না। 

সম্প্রতি সাহার খোদাইরি নামে এক ইরানী তরুণী জেলে যাওয়ার ভয়ে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। একটি ম্যাচে পুরুষদের সাজে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে তিনি ধরা পড়ে যান। তার পর থেকে তার উপরে নানা ধরনের মানসিক অত্যাচার চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। হয়তো তাকে গ্রেফতারও করা হত। এই ঘটনার পরে ফিফা আরো কড়া হয়। ইরানের সরকার অবশ্য বিদেশিদের চাপে যে, নারীদের ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে, তা স্বীকার করছে না।  

বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে ইরান মুখোমুখি হবে কম্বোডিয়ার। তেহরানের আজ়াদি স্টেডিয়ামে যে ম্যাচ কয়েক হাজার নারী খেলা দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মেয়েদের জন্য আলাদা টিকিট বিক্রি শুরু হতেই আধ ঘণ্টার মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যায়। 

ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আজ়াদি স্টেডিয়ামে আরো বেশি সংখ্যক নারী আগামী দিনে পুরুষদের ফুটবল দেখতে পারবেন। বৃহস্পতিবারের ম্যাচের মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত ৩৫০০ টিকিট এরইমধ্যেই বিক্রি হয়ে গেছে। 

যারা টিকিট পেয়েছেন তাদের এক জন ক্রীড়া সাংবাদিক রাহা পুরবাখ‌্স বলেছেন, ব্যাপারটা সত্যিই বিশ্বাস হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে টেলিভিশনে ম্যাচ দেখে খবর লিখেছি। এ বার সবকিছু সামনে থেকে দেখে লিখতে পারব, তা ভাবতেই পারছি না।

 রাহা অবশ্য এটা ভেবে দুঃখ করেছেন যে, অনেক নারী ইচ্ছে থাকলেও টিকিট পাননি। যাদের অনেকে দক্ষিণ ইরানের প্রত্যন্ত এলাকা আহবাজ় থেকেও এসেছিলেন।

তেহরানের রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষদের প্রতিক্রিয়ায় এটা স্পষ্ট যে, তারা সরকারের এই বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তে দারুণ খুশি। 

হাস‌্তি নামে এক নারীকে যেমন বলতে শোনা গেছে, নারী স্বাধীনতার সমর্থক আমি। খুব খুশি হব আলাদা জায়গায় নয়, পুরুষদের পাশে বসেই খেলা দেখতে পারলে।

নারীদের অনেকে অবশ্য ভয় পাচ্ছেন যে, এর পরেও পুরুষ দর্শকদের একটি অংশ মাঠে হয়তো তাদের প্রতি অশ্লীল এবং আপত্তিকর আচরণ করতে পারেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে