Alexa ২৬ রোজায় গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি!

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১২ নভেম্বর ২০১৯,   কার্তিক ২৭ ১৪২৬,   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

২৬ রোজায় গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি!

 প্রকাশিত: ১৫:৩০ ৪ জুন ২০১৭  

২৬ রোজার পর গরুর মাংসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে ঢাকা মোট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেছেন, ‘গাবতলি গরুর হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ ও ইজারাদারদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ২৬ রোজার পর মাংসের দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।’ রবিবার (৪ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ছোট মিলনায়তনে গাবতলি গরুর হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায় ও মাংসের অতিরিক্ত দাম বন্ধে প্রশাসনের নজরদারির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মাংস ব্যবসায়ী সমিতির অফিসের তালা ৭ দিনের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবি জানান। অন্যথায় এ সমিতি বিলুপ্ত করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। গাবতলি হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায়ে ঢাকা উত্তর সিটির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে না পারায় নিজেকে সংগঠনের মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘১৫ মাস আন্দোলন করার পরও সাড়া না পাওয়া পদত্যাগ করতে বাধ্য হলাম। ৪০ বছর এ সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছি। এখন আর পারছি না। উত্তরের মেয়রের সাক্ষাৎ চেয়ে পাইনি। ১০ মিনিট সময় দেন তিনি। চাঁদাবাজরা তাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।’ পদত্যাগের ঘোষণা দেয়ার আগে তিনি বলেন, ‘গরুর মাংসের ব্যবসা নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ইজারাদারদের দ্বন্দ্ব চলছে দীর্ঘ দিন যাবত। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশবাসীকে যেন অল্প দামে মাংস খাওয়ানো যায়। তার জন্য সিটি করপোরেশন ইজারা নির্ধারণ করে দেয়া হয় ৫০ টাকা। এটা কেউ মানছে না। তারা অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করছে।’ রবিউল বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ হলে মাংসের দাম কমবে। প্রতি কেজি মাংস ৪শ’ টাকায় নিয়ে আসা যাবে। চাঁদাবাজি বন্ধে প্রায় ৬০০ বার আবেদন করেও কোন সাড়া পাইনি। একটি আবেদনেরও তদন্ত করেনি কর্তৃপক্ষ। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী সিটি করপোরেশেনের নির্ধারিত দাম থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে। আমাদের অফিস তালা লাগানো থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’ সংবাদ সম্মেলন বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ, সমস্যা ও দাবি তুলে ধরে সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, ‘দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ গরু ও খাসির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এর ফলে মাংস বিক্রি শূণ্যের কোটায় নেমে এসেছে। দেশে অর্ধেকের বেশি মাংসের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে গত ১৩ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয় দিনের কর্মবিরতি পালন করেছিলেন মাংস ব্যবসায়ীরা।’ সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই