Alexa ২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি সুবিধা দেয়া হবে হাসপাতালে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২২ ১৪২৬,   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি সুবিধা দেয়া হবে হাসপাতালে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৩৯ ১৭ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের সব সরকারি হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি সুবিধার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘জাতীয় নবজাতক স্বাস্থ্য কেন্দ্র’ আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

‘বিশ্ব প্রিম্যাচুরিটি দিবস-২০১৯ উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে শিশু মৃত্যুহার কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমাদের ২০৩০ সালের মধ্যে অপরিণত শিশু মৃত্যুহারের লক্ষ্যমাত্রা ১২ নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতের সবাই সঠিকভাবে কাজ করলে এই অপরিণত শিশু মৃত্যুহারের লক্ষ্যমাত্রা আগামী ২ বছরেই অর্জন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে দেশের সব সরকারি হাসপাতালেই প্রসূতি মায়েদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি সুবিধাও রাখা হবে।’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতরের মহাপরিচালক আলম আরা বেগম, পরিকল্পনা শাখার যুগ্ম-প্রধান ডা. আ এ মো. মহিউদ্দীন ওসমানী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. বার্দন জাং রানা, ইউনিসেফ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি তমু হজুমি, ইউএসএইড-এর প্রতিনিধি জারসাস সিধা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমএনসি বিভাগের লাইন ডাইরেক্টর শামসুল হক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, বিশ্বে প্রতিবছর ১৫ মিলিয়ন শিশু অকালে জন্ম নেয়। এর ফলে প্রচুর সংখ্যক শিশু অপরিণত বয়সেই মারা যায়। আমাদের দেশেও ৩১ ভাগ শিশু অপরিণত বয়সে জন্মের কারণেই মারা যাচ্ছে। এই মৃত্যু রোধ করতে মায়েদের ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’ সেবা দিতে হবে। দেশের সব হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা প্রসূতি মায়েদের জন্য সেবা বিভাগ রাখতে হবে। এর পাশাপাশি নার্স ও মিডওয়াইফারিদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাস করতে হবে। এ বিষয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা হাতে নিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএএম