.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

২১ বছরেও শান্তি ফেরেনি পাহাড়ে

বান্দরবান প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ০২:০৯ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ০২:১৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছর পরও পাহাড়ে ফিরে আসেনি শান্তি। তিন পার্বত্য জেলার দীর্ঘদিনের পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব-সংঘাত বন্ধ করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পাহাড়ের শান্তি বাহিনীর সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। তবুও থামেনি অস্ত্রের ঝনঝনানি। থেমে নেই গুম, খুন, চাঁদাবাজি, অপহরণও।

চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না বলে মনে করছেন জনসংহতি সমিতির নেতারা। চুক্তি বাতিলের জোর দাবি চালিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের পাঁচটি বাঙালি সংগঠন।

বাঙালি সংগঠনের নেতা আতিকুল ইসলাম বলেন, যে উদ্দেশ্যে শান্তি চুক্তি করা হয়েছিল তা বাস্তবায়িত হয়নি। চুক্তিতে বাঙালিদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করলেও দীর্ঘ ২১ বছর পরও আমরা শান্তি চুক্তির সাফল্য দেখতে পাইনি।

বান্দরবান জনসংহতি সমিতির সভাপতি উসোমং মারমা বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতা দরকার। ২১ বছর পরও আমাদের পার্বত্য চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে সরকার ক্ষমতায় আসুক, আমাদের দাবি থাকবে দ্রুত চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপিত এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তি চুক্তি করেছিলেন। চুক্তি বাস্তবায়নে প্রধান অন্তরায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফ। এই দুই দলের সন্ত্রাসবাদ, সংঘর্ষ অব্যাহত থাকায় চুক্তি বাস্তবায়ন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার আন্তরিক হলেও পাহাড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এখনো কমেনি। শান্তি চাইলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।

শান্তি চুক্তির ২১ বছরে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বান্দরবান সেনা রিজিয়ন, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও পুলিশ বিভাগ। রোববার অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর হবে। দুই দিনব্যাপী মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হবে। বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর