২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার অনুমোদন পেলেন পুতিন
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191500 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার অনুমোদন পেলেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৭ ২ জুলাই ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০৩৬ সাল পর্যন্ত দেশ শাসনের বৈধতা অর্জন করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে গণভোটে দেশটির প্রেসিডেন্ট পুতিনের পক্ষেই রায় দিয়েছে দেশটির সিংহভাগ ভোটার। প্রাপ্ত আংশিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিপুল ব্যবধানে জিতেছে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব। এর ফলে পুতিন আরো দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন।

রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রায় ৮৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে ৭৭ শতাংশের বেশি ভোট সংবিধান সংশোধনের পক্ষে গেছে। বুধবার ছিল গণভোটের শেষ দিন। 

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব জেতার সব আয়োজন শেষ করার পরই গণভোট আহ্বান করেছিলেন পুতিন।

সংবিধান সংশোধনে গণভোট পুতিনের পক্ষে যাওয়ায় আরো দুই মেয়াদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বৈধতা পাচ্ছেন তিনি। এর মানে হচ্ছে, ২০২৪ সালের পর আবারো নির্বাচনে জিতলে আরো ১২ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন পুতিন।

রাশিয়ার বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, এ বছর ক্ষমতা ত্যাগ করতে হতো পুতিনকে। এর আগে এ ধরনের পরিস্থিতিতে পুতিন চার বছরের জন্য ক্ষমতা দিয়েছিলেন বিশ্বস্ত দিমিত্রি মেদভেদের হাতে। তবে এবার আর তা করেননি পুতিন। সরাসরি সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছেন পুতিন।

রাশিয়ার বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, এক ব্যক্তি টানা দুবারের বেশি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। তবে কখনো প্রধানমন্ত্রী আবার কখনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই দশক ধরে ক্ষমতা আছেন পুতিন। গত জানুয়ারিতে আরো দুবার প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের বিধান রেখে সংবিধান সংশোধনের খসড়ায় স্বাক্ষর করেন পুতিন।

গত বুধবার গণভোট আয়োজনের কথা থাকলেও করোনাজনিত পরিস্থিতির কারণে ভিড় এড়াতে এক সপ্তাহ আগেই ভোটকেন্দ্র খুলে দেয়া হয়। এদিন ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হলে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ শুরু হয়।

সূত্র: বিবিসি ও পার্সটুডে

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ