Alexa ২০২০ সালে সাফল্য পেতে যেসব দক্ষতা প্রয়োজন

ঢাকা, সোমবার   ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১১ ১৪২৬,   ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

২০২০ সালে সাফল্য পেতে যেসব দক্ষতা প্রয়োজন

জব কর্নার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৩ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:২৫ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে যে কোনো ১০ টি স্কিল ২০২০ এ আপনাকে এগিয়ে রাখবে চাকরি সেক্টরে।

স্কিলগুলো হলো- জটিল সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, ক্রিয়েটিভিটি, মানুষকে ম্যানেজ করা, মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করা, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, বিচার ও ডিসিশন নেয়ার সামর্থ্য, সেবা দেয়া, নেগোশিয়েশন, মানসিক শক্তি।

মার্টি নিওমিয়ার (লেখক, উদ্যোক্তা) তার একটি লেকচারে রুলস অফ জিনিয়াস নিয়ে কথা বলেছিলেন যে চারটি গুন্ থাকলে ধরে নিতে পারি একজন প্রফেশনাল হিসেবে সঠিক পথে আছেন।

১. ক্রিয়েটিভ: অন্যের থেকে আলাদা, চিন্তাশক্তি প্রখর, স্বশাসিত।

২. স্কীলড: নতুন টেকনোলজি এর সঙ্গে আপডেট থাকা, প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা, প্রফেশনাল, সঠিক ধারণা রাখা নিজের কাজ সম্পর্কে।

৩. কাজের পদ্ধতি: পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইতে পারা, নিয়মতান্ত্রিক, সেলফ ম্যানেজড।

৪. রোবটিক: এলগোরিদমিক, কম্পিউটারে দক্ষতা, ইফিসিয়েন্ট।

প্রতিটি প্রফেশনাল অনেকটায় ক্রিয়েটিভ হতে পারে। যখন সে কাজ করে নিজের ওয়ার্ল্ডে , মূলত সে ওই কাজের আর্ট তৈরি করতে পারে। 

নিউমিয়ার বলেন, সব সময় শিখার মানসিকতা থাকতে হবে এটা খুব  গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া , অন্যরা আপনার কাজের ডুপ্লিকেট অথবা অনুরূপ করে ফেলবে। আপনি যদি আপনার প্রোডাক্টের জন্য ইউনিক হতে চান , তাহলে আপনাকে শূন্য থেকেই প্রোডাক্টটি আপনাকে তৈরি করতে হবে।

আলভিন টফলার একবার বলেছিলেন, ২১ শতকের নিরক্ষতা কখনোই পড়ালেখা না জানা হবে না,  তারাই নিরক্ষর হবে যারা শিখতে পারছে না, শিখে না , নতুন করে আবার স্টাডি না করে।

মোবাইল ফোনের শুরুর দিকে মানুষ শুধু কমিউনিকেশন এর উদ্দেশ্যে ব্যবহার হতো , কিন্তু মানুষ ডিভাইসটির নতুন করে ব্যবহার শিখে নতুন অনেক সমস্যার সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন।

কাজের ক্ষেত্রে অবশ্যই নতুন স্কিল গুলোতে মানিয়ে নিতে হবে। এবং পাশাপাশি নতুন স্কিলগুলোও শিখতে হবে ভবিষৎ চাকরির জন্য। আরো কিছু স্কিল ২০২০ সালে সফল করে তুলবে –

১. কিভাবে শিখতে হয় তা শেখা: স্কিল প্রায়ই পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে , কাজেই শিখতে হবে কিভাবে আসলে শেখা যায়।   

২. দ্রুত এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পড়ুন: কখনোই পড়া বন্ধ করবেন না।  নিয়মিত পড়া আপনার জীবনে পার্ট হতে হবে , নিয়মিত সময় করে বই পড়ুন।

৩. নোট নেয়া: নোট নেয়াও শেখার একটি মাধ্যম। নোট নেয়ার মধ্যে আর্ট কাজ করে। এটিও একসময় লার্নিং এর ক্ষেত্রে সরাসরি ভূমিকা পালন করবে।

৪. তথ্য এনালাইসিস: যখন আপনি বিস্তারিত এবং ভালোভাবে নোট নিবেন , সেগুলো রিভিউ করে বড় আইডিয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারেন।

৫. প্যাটার্ন এবং ট্রেন্ড এনালাইসিস: আপনি যখন বিভিন্ন বই পড়বেন সেখান থেকে প্রাপ্ত আইডিয়া গুলো কপি পেস্ট করে প্যাটার্ন অনুযায়ী সাজিয়ে ফেলুন , বের হয়ে আসবে এমন কিছু যা আপনি চিন্তাও করেন নি।

৬. টেকনোলজি বুঝুন: টেকনোলজি এখন সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে , সেক্ষেত্রে আপনাকে আগাম টেকনোলজি ট্রেন্ড বুঝতে হবে। মাঝে মাঝে এক্ষেত্রে বই না পরে লেটেস্ট জার্নাল আর্টিকেল এবং টেক ব্লগ গুলো দেখতে পারেন। সূত্র: ইয়থ কার্নিভাল

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে