Alexa ২০১৯ নিয়ে অন্ধ নারীর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী!

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

২০১৯ নিয়ে অন্ধ নারীর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০:২৪ ১১ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ২০:৪২ ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

ডেইলি মেইল থেকে নেয়া স্ক্রীনশট

ডেইলি মেইল থেকে নেয়া স্ক্রীনশট

বুলগেরিয়ায় জন্ম নেয়া এই অন্ধ নারী ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন অবলীলায়। তার নাম বাবা ভ্যাঙ্গা থট রিডিং। ১৯১১ সালে জন্ম তার। খুব অল্প বয়সেই অলৌকিক উপায়ে রোগ নিরাময়সহ নানা কারণে খ্যাতি পেয়েছিলেন। এরপর এক ঘূর্ণিঝড়ে আহত হয়ে পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারান ভ্যাঙ্গা।

তার আসল নাম ভ্যাঙ্গেলিয়া প্যানদেভা দিমিত্রোভা। অচিরেই তাকে ‘বলকানের নস্ত্রাদামুস’ বলে অভিহিত করা হয়। ১৯৯৬ সালে ৮৫ বছর বয়সে মারা যান ভ্যাঙ্গা। 

১৯২৫ সালে ভ্যাঙ্গা দৃষ্টিহীনদের জন্য এক বিশেষ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরে তিনি পিয়ানো বাজানো, রান্না করা, উল বোনা ইত্যাদিও শেখেন। এই সময় থেকেই তার মধ্যে অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার উদয় দেখা দেয়। 

এরই মধ্যে ভ্যাঙ্গার অনেক ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেছে। ২০১৯ সাল নিয়ে তিনি কয়েকটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এগুলো হল-

এক মহা সুনামির আশঙ্কা রয়েছে ২০১৯ সাল। যেটি ২০০৪ সালের সুনামির মতোই ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এ সময় রাশিয়ায় এক বিরাট উল্কাপতন ঘটতে পারে।

এ ছাড়া ২০১৯ সালটি রাশিয়ার উত্থানের বছর বলে তিনি চিহ্নিত করেছিলেন। বিশ্ব রাজনীতিতে রাশিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই বছর উঠে আসতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে তিনি জানিয়েছিলেন, ২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট খুবই অসুস্থ হয়ে পড়বেন। এই অসুখ মস্তিষ্কের এক রহস্যময় রোগ।

এ ছাড়াও ২০১৮ সাল থেকে পৃথিবীর নানা বিষয় নিয়ে ভ্যাঙ্গা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সর্বশেষ ৩৭৯৭ সালে পৃথিবী ধ্বংস হবে বলে দাবি করেছিলেন। তার আরো কিছু ভবিষ্যদ্বাণীগুলো হল-

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালের পর থেকে সংকটের মধ্যে পড়বে। ২০২৮ সালে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট দেখা দেবে।

২০১৬ সাল থেকে ইউরোপের অবলোপ ঘটবে। (ব্রেক্সিটের বিষয় নিয়ে যা ঘটছে তাতে এ কথা অস্বীকার করা যাবে না।)

ইউরোপ ইসলামি শক্তির দ্বারা বিপন্ন হয়ে পড়বে। সিরিয়ায় ইসলামি শক্তিগুলো বিপুল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। ২০৪৩ নাগাদ রোম একটি মুসলিম নগরীতে পরিণতি পাবে। সেখানে প্রতিষ্ঠিত হবে খিলাফতের শাসন।

পানির তলায় বসবাসের ব্যবস্থা মানুষ  ২১৩০ সালের মধ্যেই করে ফেলবে। ২০৪৫ সাল নাগাদ বিশাল হিমশৈলগুলো গলতে শুরু করবে। পৃথিবীতে তখন অস্তিত্ব সংকট দেখা দেবে।

ইউরোপে কমিউনিজম ২০৭৬ সাল নাগাদ আবার মাথাচাড়া দেবে। এর প্রভাব পড়বে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। ৩৭৯৭ সাল নাগাদ পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য। কিন্তু তত দিনে মানুষ এক নক্ষত্রলোকের সন্ধান পাবে। সেখানেই পৃথিবীর উপনিবেশ গড়ে উঠবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর