.ঢাকা, শুক্রবার   ২২ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৮ ১৪২৫,   ১৫ রজব ১৪৪০

১৯ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৭:২৫ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৭:২৫ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আগামী ১৯ জানুয়ারি দেশজুড়ে পালিত হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। ওইদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আসন্ন জাতীয় এ প্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) এর কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি সভায় এ কথা জানানো হয়।

ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) শেখ সালাহ্উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শেখ সালাহ্‌উদ্দিন বলেন, সাধারণত বছরে দুইবার জুন ও ডিসেম্বর মাসে ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। তবে নির্বাচনের কারণে গত বছরের ২য় রাউন্ডের ক্যাম্পেইন এ বছর জানুয়ারি মাসে পরিচালনা করা হবে।

প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনে গত বারের অর্জন ৮৭ শতাংশ। গ্রাম অঞ্চলের মানুষের কাছে এই ক্যম্পেইন সহজে পৌঁছালেও শহরে এটি পুরোপুরি সফল করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি জানান, শহর অঞ্চলে বাবা মায়েদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ সম্পর্কে উদাসীনতা রয়েছে। এই বিষয়ে ছড়ানো গুজবও ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণে বিরূপ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, মারাত্মক অসুস্থ ছাড়া ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী যে কোনো শিশু ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে পারবে। তিনি শিশুদের ভরপেটে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরামর্শ দেন এবং বলেন, যদি কোনো শিশু মারাত্মক অসুস্থ বোধ করে তবে সিটি কর্পোরেশোনের কন্ট্রোলরুম ৯৫৫৬০১৪ নাম্বারে ফোন দিয়ে জানাতে হবে।

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে এ বছর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ৪৭ হাজার শিশু ও ১২-৫৯ মাস বয়সী সোয়া তিন লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ১৯ তারিখ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডিএসসিসির ১ হাজার ৪৮৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এই ক্যাম্পেইনে কাজ করবেন প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক।

অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য শুধু শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নয় বরং শিশুর দেহে ভিটামিন এ’র প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করা। তিনি আরো বলেন, ভিটামিন এ ঘাটতি পূরণ করার মাধ্যমে শিশু মৃত্যুর হার ২৩ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস