Alexa ১৮ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬,   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

১৮ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৪৬ ২২ জানুয়ারি ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

যশোর থেকে ১৮ মামলার পলাতক আসামি মো. রিয়াজুল ইসলাম রাজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত ৯ জানুয়ারি যশোরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

সিআইডি বলছে, প্রাইম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সভাপতি রাজু প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এর আগে, তার সহযোগী শম্পা রানী সাহাও গ্রেফতার হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।

বুধবার সিআইডির অতিরিক্ত এসপি মো. ফারুক হোসেন জানান, ২০১০ সালে রাজু ও তার সহযোগীরা প্রাইম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সনদ নিয়ে যশোর, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের প্রায় ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় অসাধু ব্যক্তিদের সহযোগিতায় শাখা অফিস খুলে লোভনীয় প্রস্তাবের মাধ্যমে গ্রাহককে বছরে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশে সঞ্চয়পত্র খোলা, স্থায়ী আমানতের ৪ বছরে দ্বিগুণ টাকা দেয়ার প্রলোভন দিয়ে ২৫শ’ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।

সিআইডি অনুসন্ধান চালিয়ে রাজুর অপরাধলব্ধের ৫ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান পায়। তার ২টি বাড়ি, ২টি কাভার্ড ভ্যানসহ ১০ বিঘা জমির সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাইম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নামে ২টি গাড়ি ও ৬টি স্থানে জমির সন্ধান পাওয়া গেছে। এর আগে, কুষ্টিয়ার রেহানা এবং আমিরুলের বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি ৩ মাস জেল খাটেন। পরে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। এই চক্রের অন্যতম সদস্য শম্পা রাণী সাহা ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন জেল খেটে আবার জামিনে মুক্ত হন।

রাজু এবং শম্পা রূপালী ইন্সুরেন্সে ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চাকরি করেন। এরপর তারা পরস্পরের যোগসাজোসে প্রতারণার কাজে যুক্ত হোন। পরে রাজু ও শম্পাসহ ৮জনের বিরুদ্ধে ফরিদপুরে মামলা হয়েছে। 

সিআইডির অনুসন্ধানে এই চক্রের ২০টি শাখার সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব শাখায় কর্মরত প্রত্যেকেই প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত। এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলাতে স্থানীয় নিবন্ধন নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। মামলার আসামি ৮ জনসহ প্রতারক চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসসি/এমআরকে