১১মাসে রফতানি আয় ৩হাজার ৩৭২কোটি ডলার
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=40083 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   ভাদ্র ১ ১৪২৭,   ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

১১মাসে রফতানি আয় ৩হাজার ৩৭২কোটি ডলার

 প্রকাশিত: ২০:২৫ ৬ জুন ২০১৮   আপডেট: ২০:২৫ ৬ জুন ২০১৮

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) রফতানি আয়ের পরিমাণ ৩হাজার ৩৭২কোটি ৮৮লাখ ডলার। এর মধ্য শুধু পোশাক থেকেই এসেছে ২ হাজার ৮১২ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, একক মাস হিসেবে সর্বশেষ মে মাসে রফতানি আয় আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়েছে।রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন হাজার ৩৮৭ কোটি ৭ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে তিন হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। আর গতবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল তিন হাজার ১৬২ কোটি ২৮ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, মে মাসে রফতানি আয় হয়েছে ৩৩২ কোটি ২৪ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৮ কোটি ডলার। গত বছর মে মাসে আয়ের পরিমাণ ছিল ৩০৪ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। পোশাক খাতের আয় ধারাবাহিকভাবে ভাল হওয়ায় রফতানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বাংলাদেশ রফতানিকারক সমিতির (ইএবি) সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী গণমাধ্যমকে বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে পোশাক খাত রফতানিতে ভাল করছে। আগামী বাজেটে করপোরেট করহার কমানো হলে পোশাক থেকে রফতানি আয় আরো বাড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্য রফতানি বাড়াতে বৈচিত্র্যপূর্ণ শিল্প পণ্যের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি সহায়তা ও প্রনোদনা দেয়ার সুপারিশ করেন।

ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক খাতের নিট পণ্য (সোয়েটার, টি-শার্ট জাতীয় পোশাক) রফতানি আয় ও প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দুই-ই বেড়েছে। এক হাজার ৩৬৪ কোটি ১১ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৯৪ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ বেশি রফতানি আয় হয়েছে। গত বছরের প্রথম ১১ মাসে নিট পণ্যের রফতানি আয় ছিল এক হাজার ২৫০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার।

জুলাই-মে সময়ে বড় কৃষিজাত পণ্যের রফতানি আয় বেড়েছে। এই খাতে রফতানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যার প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানিতে উল্লেখ করার মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছে,৭ শতাংশ। এ সময়ে এই খাত থেকে ৯৬ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের রফতানি আয় এসেছে। বেডশিট, কিচেন টয়লেট লাইনস্সহ হোম টেক্সটাইল পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে ৮২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

হিমায়িত মাছ, রাসায়নিক পণ্য সিমেন্ট, সল্ট, স্টোন, ইমারত তৈরির সরঞ্জাম ও সিরামিকের রফতানি আয় বেড়েছে। তবে চামড়া ও চামড়জাত পণ্যের রফতানি কমেছে। গত বছরের প্রথম ১১ মাসে চামড়া ও চামড়জাত পণ্যের রফতানি ছিল ১১২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, এবারের একই সময়ে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস