Alexa ১০ বছরে স্বাক্ষরতার হার ৭২.৭৬ শতাংশ

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

১০ বছরে স্বাক্ষরতার হার ৭২.৭৬ শতাংশ

 প্রকাশিত: ২১:৫০ ২২ মার্চ ২০১৮  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গত ১০ বছরে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ২৬ দশমকি ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড পরিমান ৭২ দশমিক ৭৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশে সাক্ষরতার হারের ওপর ইউনেস্কো ইনস্টিটিউট ফর স্ট্যাটিসটিক্স (ইউআইএস) এর ২০১৬ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এ প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত এক দশকে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও নারীর মধ্যে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির পরিমাণ যথাক্রমে ৭৫ দশমিক ৬২ এবং ৬৯ দশমিক ৯০। অর্থাৎ, গত ১০ বছরে শিক্ষিত যুবক ও যুব মহিলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৬ সালে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষ ও মহিলার মধ্যে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৯২ দশমিক ২৪ শতাংশ। যা ২০০৭ সালে ছিল ৬১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

ইউআইএস এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাক্ষরতার হার অনুযায়ী বাংলাদেশ অনেক দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। ভারতে সাক্ষরতার হার ৬৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, নেপালে ৫৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ভুটান ৫৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ ও পাকিস্তানে ৫৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

শিক্ষাক্ষেত্রে গত ১০ বছরে শতভাগ সাক্ষরতার হার ও শিক্ষায় গুণগত মান উন্নয়নে বাংলাদশে সরকাররে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পসহ নীতিমালা প্রণয়ন ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে সাফল্যের প্রশংসা করেছে ইউনেস্কো।

ইউআইএস অনুযায়ী, ২০১৬ সালে সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে দ্বিগুণ অর্থাৎ ৪৩৯৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয় করেছে যা ২০০৮ সালে ছিল ১৯৯৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রে ৭ হাজার ৮৮৫ মিলিয়নের বেশি (৬৫ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা) বরাদ্দ ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। সবার জন্য শিক্ষার অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য সরকার জাতীয় শিক্ষা নীতিমালা ২০১০ প্রণয়ন করেছে।

এই লক্ষ্য অর্জন নীতিমালায় শিক্ষার মূল সম্পদ নিশ্চিত করা, শ্রেণিকক্ষ ও পাঠ্যপুস্তক ডিজিটালাইজেশন করা, শিক্ষাক্রম সংস্কার, সৃজনশীল প্রশ্ন চালু, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বাসস

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি