.ঢাকা, সোমবার   ২৫ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ১১ ১৪২৫,   ১৮ রজব ১৪৪০

১০০-১৫০ রান কম হওয়ার আক্ষেপ নাসিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ২০:৪০ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭  

৬ উইকেট ২৫৩ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করা বাংলাদেশ তাকিয়েছিল মুশফিকুর রহিম আর নাসির হোসেনের দিকে। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতে অধিনায়ক মুশফিকের আউটের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি টাইগাররা, নাসিরের সম্ভাবনাময় ইনিংসও ৫০ ছুঁতে পারেনি। ৩০৫ রানে প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ায় নাসির হতাশ।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হয়ে আসা এই অলরাউন্ডার আক্ষেপ লুকাতে পারলেন না, ‘এটা যে ধরনের উইকেট, তাতে আমার ধারণা আমরা ১০০ থেকে ১৫০ রান কম করেছি। আমাদের অন্তত ৪০০ থেকে ৪৫০ রান করা উচিত ছিল।’

‘জীবন’ পেলে কী করতে পারেন, ঢাকা টেস্টে সেঞ্চুরি করে সেটা প্রমাণ করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। চট্টগ্রামে এরই মধ্যে দুবার ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ওপেনার। শর্ট লেগে মুমিনুল হক কঠিন ক্যাচ ফেলে দেওয়ার পর ওয়ার্নারের স্টাম্পিং মিস করে স্বাগতিকদের হতাশ করেছেন মুশফিক।

সুযোগ পেয়েও অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানকে ফেরাতে না পেরে নাসির ভীষণ হতাশ, ‘ওয়ার্নারের উইকেট নিতে পারলে অবশ্যই ব্যাপারটা অন্যরকম হতো, ওদের তিন উইকেট পড়ে যেতো। ক্যাচটা অবশ্য ফিফটি-ফিফটি ছিল। এ ধরনের ক্যাচ ধরা কঠিন। স্টাম্পিংয়ের বলটাও নিচু হয়ে গিয়েছিল। তারপরও ওয়ার্নারকে ফেরাতে পারলে খুব ভালো হতো।’

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে সবচেয়ে সমস্যায় ফেলেছেন নাথান লিওন। ৭ উইকেট শিকার করে টাইগারদের সংগ্রহ বড় হতে দেননি অতিথিদের অফস্পিনার। অথচ বাংলাদেশের স্পিনাররা দ্বিতীয় দিনে দুই সেশনের বেশি বল করেও অস্ট্রেলিয়াকে অস্বস্তিতে ফেলতে পারেননি।

নাসিরের মতে, চট্টগ্রামের উইকেটই এই ব্যর্থতার কারণ, ‘মিরপুরের উইকেট আমাদের খুব সাহায্য করেছিল। এখানে তেমন বাউন্স পাচ্ছে না বোলাররা, আর স্টাম্পের কাছে বল তেমন টার্নও করছে না। স্টাম্পের বাইরে যেখানে ক্ষত হয়েছে, সেখানে বল কিছুটা টার্ন করছে। স্টাম্পের কাছাকাছি ক্ষত হলে বোলাররা সুযোগটা কাজে লাগাতে পারতো।’

শুধু ব্যাটিং আর বোলিংয়ে ব্যর্থতা নয়, রক্ষণাত্মক ফিল্ডিংও বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়ার অন্যতম কারণ। মঙ্গলবার সীমানার কাছে চারজনকে রেখে ফিল্ডিং সাজিয়েছেন মুশফিক। বোলিংও তেমন আক্রমণাত্মক ছিল না। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ওয়ার্নার আর পিটার হ্যান্ডসকম্ব মিলে গড়েছেন ১২৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।

নাসির রক্ষণাত্মক কৌশলের ব্যাখ্যা দিলেন এভাবে, ‘রান কম হওয়ার কারণে আমাদের মাঝে মাঝে রক্ষণাত্মক হতে হয়েছে। স্টাম্পের কাছে বল তেমন টার্ন করছিল না। তাই আমাদের বোলাররা বেশিরভাগ বল করেছে অফস্টাম্পের বাইরে।’

ডেইলি বাংলাদেশ/আর কে