হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী’র দ্বিতীয় বিয়ে

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী’র দ্বিতীয় বিয়ে

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৪ ১৪ নভেম্বর ২০১৯  

গুলতেকিন খান এবং আফতাব আহমেদ

গুলতেকিন খান এবং আফতাব আহমেদ

দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খান। সপ্তাহ দুয়েক আগে ঢাকায় ঘরোয়া পরিসরে গুলতেকিনের বাসায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফতাব আহমেদকে বিয়ে করেন তিনি। 

জানা গেছে, বিয়ের পর আমেরিকায় চলে গেছেন গুলতেকিন। শিগগিরই ফিরে বন্ধু এবং আত্নীয়দের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করবেন।

এদিকে ৫৬ বছর বয়সে গুলতেকিন বিয়ে করায় অনেকেই শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। পাশাপাশি এ বয়সে এসে বিয়ে করায় সমালোচনার পাল্লাটাও বেশ ভারী হচ্ছে। 

প্রায় সাত-আট বছর ধরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কবি আফতাব আহমেদের সঙ্গে গুলতেকিনের বন্ধুত্ব। তাদের এই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রেমে গড়ায়। সেই প্রেমের পরিণতি এই বিয়ে।

তবে বিয়ের আগেই গুলতেকিন আফতাব আহমদের জন্মদিনে তার ভালোবাসার কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন কবিতার মাধ্যমে। গত ২ আগস্ট আফতাবের জন্মদিনে গুলতেকিন নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি কবিতা পোস্ট করেন। আর এতেই বোঝা যায় দুজনের সম্পর্কের গভীরতা।

গুলতেকিনের কবিতা হুবহু তুলে ধরা হলো-

তোমার জন্যে মাত্রা বৃত্তে

গুলতেকিন খান

(আফতাব আহমেদ, জন্মদিনে, তোমাকে...)

তোমার জন্যে মাত্রা বৃত্তে লিখবো বলে যখন ভাবি


ছিপের তিন মাল্লা মিলে হারিয়ে ফেলে নাকের ছবি

যখন ভাবি তোমায় নিয়ে উঠবো গিয়ে নতুন তীরে
শ্যাওলা জলে নোলক খুঁজে পানকৌড়ি যায় না ফিরে।

এমন একটা ছন্দ পেতাম তোমায় নিয়ে মুখ ঢাকা যায়

বৈঠা হেনে ছিপটি টেনে হয়ে গেছি আজ অসহায়

ঝড়ে ডোবার জাহাজ তুমি নও যে সেটা সবাই জানে
তোমার কিছু যায় আসে না মানে কিংবা অসম্মানে।

তোমার জন্যে মাত্রা বৃত্তে লিখবো বলে ভাবতে থাকি

নাগরদোলায় একটু সময়, আর কিছুটা থাকুক বাকি।

গুলতেকিনের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের বিয়ে হয় ১৯৭৩ সালে। দীর্ঘ ৩০ বছরের দাম্পত্য বিচ্ছেদে গড়ায় ২০০৩ সালে। হুমায়ূন-গুলতেকিনের তিন কন্যা নোভা, শীলা, বিপাশা ও এক পুত্র নুহাশ।

এছাড়া, আফতাব আহমেদ ও তার ব্যারিস্টার স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটে ১০ বছর আগে। তার একমাত্র সন্তান লন্ডনে লেখাপড়া করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস