Alexa হায়াৎ সাইফের সাক্ষাৎকার (প্রথম কিস্তি)

ঢাকা, রোববার   ২৫ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ১১ ১৪২৬,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

হায়াৎ সাইফের সাক্ষাৎকার (প্রথম কিস্তি)

সাহিত্য ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৭ ১৪ মে ২০১৯   আপডেট: ১৫:৫৫ ১৪ মে ২০১৯

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

ষাটের দশকে কাব্যচর্চা শুরু করেছিলেন হায়াৎ সাইফ। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ সম্পন্ন করেন। তার লেখা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে। ১৯৮৩ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সন্ত্রাসের সহবাস’ প্রথম প্রকাশিত হয়। হায়াৎ সাইফের লেখা ১৫টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তার। ১৯৬৫ সালে রাজশাহী কলেজের  শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। হায়াৎ সাইফ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্কাউট মুভমেন্টের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন ১৯৯০ সাল থেকে। তিনি বাংলাদেশ স্কাউটের ন্যাশনাল কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। ২০০৩ সালে বিশ্ব স্কাউট কমিটির একমাত্র এবং বিশ্ব স্কাউট পরিমণ্ডলের সবচেয়ে সম্মানজনক পদক ‘ব্রোঞ্জ উলফ’ পদক অর্জন করেন। ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালে ‘একুশে পদকে’ ভূষিত হন হায়াৎ সাইফ।  

প্রশ্ন: শৈশবের কথা, পৈত্রিক নিবাস-ভাইবোন সব মিলিয়ে কেমন ছিলো সেই সময়?

হায়াৎ সাইফ: আমার জন্ম ঢাকায়, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪২সালে। মানে আমি মহাযুদ্ধের সমান বয়সী। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ তখনো চলছে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হলো ১৯৪৫-’৪৬ এর দিকে। সে সময় আমার বাবা বৃটিশ সরকারের চাকরি করতেন এবং ঢাকায় পোস্টেড ছিলেন। সেই সময় আমার জন্ম পুরান ঢাকার বেগমবাজারে। ড. শহীদুল্লাহ-র বাড়ির পাশের বাড়িতে। সেখানে ভাড়া থাকতেন। আমার বয়স বছর খানিক হওয়ার আগেই উনি আবার কলকাতা বদলি হয়ে যান। এবং সেই সময় থেকে প্রথম যে শৈশব সেটা কলকাতাতেই। ৪৬-৪৭ পর্যন্ত। যখন দেশ বিভাগ হলো, ভারত ভাগ হলো; সেই সময় আব্বা চলে এলেন। তারপর ঢাকায় আমাদের কিছুদিন কেটেছে। সেই সময়ের ঢাকার স্মৃতি আমার মনে আছে, নতুন ঢাকা বলতে আসলে কিছুই ছিল না। রমনার যে অঞ্চলটি সেটা খুব একটা চমৎকার অঞ্চল ছিল। বুদ্ধদেব বসুর লেখার মধ্যেও তা পাওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলটি সেই সময় রমনা অঞ্চল বলা হতো। আমরা থাকতাম একেবারে বড় কাটরার কাছাকাছি। ছোট কাটরার কাছে একটা দোতলা বাড়ি ছিল সেখানের চিলেকোঠা থেকে ‘অগত্যা’ নামে একটা পত্রিকা বের হয়েছিল। আমার মাতুল কূল সেই পত্রিকাটি করতেন। ফাতেমা লোহানি, ফজলে লোহানি ওরা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেটা আমার মনে আছে কিছুটা। তারপরে পঞাশের দিকে প্রথম আজীমপুর কলোনী তৈরি হলো, সেই প্রথম মোটামুটিভাবে আধুনিক আবাসস্থল ঢাকায় হল। তো সেইখানে প্রথমদিকে যারা আজীমপুর কলোনিতে ছিলেন আমরা তাদের মধ্যে একটা পরিবার। আমাদের পাশেই আমাদের আত্মীয়-স্বজনের কয়েকজন পরিবার ওই কলোনিতে থাকতেন। সেখান থেকে আমার মনে আছে ৫২-এর আগেই ৫১তে বাবা সরকারি চাকরি ছেড়ে দিলেন। তিনি লিগ্যাল প্র্যাকটিস করবার জন্যে পাবনা গেলেন। পাবনায় তখন আমার মামা ছিলেন আব্দুর রহমান খান। তিনি খুব নাম করা উকিল ছিলেন। তার জুনিয়র হিসেবে বাবা কাজ শুরু করলেন। সেই মামার সন্তানেরা বেশ বিখ্যাত। তাদের মধ্যে একজন ড. ফারুক আজীজ খান, স্পার্সো-এর ডিরেক্টর ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের ওপরে তার একটি চমৎকার বই আছে ‘স্প্রিং অব নাইনটিন সেভেনটিন ওয়ান’। তো সেখানে আমার বাবা থাকতে-থাকতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হল। সেই সময় ড. জুবেরি ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়ে গেলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। উনি বাবাকে চিনতেন অনেক আগে থেকেই এবং তার প্ররোচণাতেই বাবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। তখন থেকে রাজশাহীতেই আমার পড়াশোনা। তারপর রাজশাহী কলিজিয়েট স্কুলে ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়েছি। ১৯৫৯ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা ওখান থেকেই দেই। তারপরে রাজশাহী কলেজে, ইন্টারমিডিয়েট-আর্টসে পড়তাম। তো আমার আবার ম্যাট্রিকে ফলটা বেশ ভালো হয়েছিল, তখন লেটার পাওয়া বেশ কঠিন ছিল। আমার চারটে বিষয়ে লেটার ছিল। তারমধ্যে আবার অংক, বিজ্ঞান ইত্যাদিও ছিল। তখন আমার পরিবার থেকে সবাই আশা করছিলেন যে আমি বিজ্ঞান নিয়ে পড়বো। বিজ্ঞানে ভর্তিও হয়েছিলাম কিন্তু ল্যাবরেটরির মধ্যে কাজ মানে রুটিনের মধ্যে কাজ আমার অপছন্দ লাগছিল। সেই সময় ওখানে প্রফুল্ল নাথ বিশি কাকা ছিলেন, তিনিই আমাকে সাজেস্ট করলেন এবং আমার বাবাকে বললেন যে ওর অনুরাগ যেখানে সেখানেই ওকে পড়তে দিন। ও যদি আর্টস পড়তে চায়, তাই পড়ুক। তো সেখান থেকেই আমি বিভাগ বদলে আটর্স-এ চলে এলাম। আমি যখন স্কুলে পড়ি, ক্লাস এইট থেকে আমার মনে হয়- একবার একটা ব্যকরণের কিছু উদাহরণ লিখতে দেয়া হয়েছিল। তিন-চারটা কাপলেটে সেটা পয়ারে আমি বলেছিলাম। সেটা আমার শিক্ষকের খুব ভালো লেগেছিল। তখন থেকেই শুরু বলা চলে। পরিবারের মধ্যেও সাহিত্য চর্চার প্রচলন ছিল, বাবা নিজেও ইংরেজির ছাত্র ছিলেন এবং সাহিত্যে তার প্রচুর উৎসাহ ছিল। বিশেষ করে আরবি-ফারসিও খুব ভালো জানতেন। আমার ইংরেজিতে যে অনুরাগ সেটা প্রধানত বাবার দ্বারা প্রভাবিত। ছোটবেলাটা এইভাবে কেটেছে আর  সেই সময় রাজশাহীতে কিন্তু সাংস্কৃতিক একটা ব্যপার সেই সময় থেকেই ছিল। মায়ের সাহিত্য বিষয়ে খুবই অনুরাগ ছিল, উনি রবীন্দ্রসংগীত খুব পছন্দ করতেন। ইন্টামিডিয়েট লেভেলে আমি যখন পড়ি সেই সময়ে আমি কয়েকজন শিক্ষক পেয়েছিলাম। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল। বাংলা সাহিত্য চর্চায় তার অবদান আছে।

প্রশ্ন: তখন পর্যন্ত আপনার তেমন কোন লেখা প্রকাশ হয়নি?

হায়াৎ সাইফ: তখন তো লেখালেখি যেটা হত, জাতীয় পর্যায়ে তেমন কোন পত্রিকাও সেই সময়টায় ছিল না। স্কুল ম্যাগাজিনে লেখা বেরিয়েছে, কলেজ ম্যাগাজিনে বেরিয়েছে। মানে সবাই জানতো যে, এই ছেলেটি এই কাজ করে।

প্রশ্ন: একটা বিষয় আপনার তো বাংলা সাহিত্যে পড়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু আপনি পড়লেন ইংরেজি সাহিত্যে?

হায়াৎ সাইফ:  এর একটি কারণ হল, তখন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক  ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা হত। আমার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে সর্বোচ্চ নম্বর ছিল। সেটা দুই পেপারেই লেটার ছিল। ইনভেজিলেটর ছিলেন এক শিক্ষক এইচ.টি ইমাম। তিনি আমার কাজিনও বটে অর্থনীতি পড়াতেন। এখন যিনি সরকারি এ্যাডভাইজার। তিনিই সাজেস্ট করেছিলে ইংরেজিতে পড়ার জন্য। বাংলায় আমার অনুরাগ ছিল, আমার মনে আছে পদ্মা তখন একেবারে ভরা ছিল, রাজশাহী বাঁধের পাশে অনেক সময় প্রায় ঘণ্টা দুয়েক আবু হেনা মোস্তফা কামাল অনেকক্ষণ ধরে বোঝালেন, বললেন (উনি ছাত্রদের আপনি সম্বোধন করতেন) দেখুন আমি নিজের জীবন নষ্ট করেছি বাংলা পড়ে আপনি কিন্তু এটি করবেন না। ইংরেজি পড়ুন, তাতে বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে আপনার পরিচয় হবে। বাংলা সাহিত্যে যদি আপনি কাজ করতে চান, এটা আপনার কাজে লাগবে। সমস্তকিছু মিলিয়ে আমার গুরুজনেরা যেটা বলেছেন এবং আমি নিজেও ভেবে দেখলাম-ইংরেজি সাহিত্যের প্রতিও আমার প্রচুর অনুরাগ সৃষ্টি হয়ে গেছে। এইটা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হওয়া।

প্রশ্ন: যে সময় আপনি পড়াশোনা করেছেন, সেই সময়টা উত্তাল সময়।

হায়াৎ সাইফ: হ্যাঁ। ষাটের দশকের সময়টা ছিল আমাদের জাতিসত্ত্বা তৈরি হওয়ার সময়। সেই সময় তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষকেরা ছিলেন তাদের যে শিক্ষা, তাদের যে পর্যবেক্ষণ এগুলো কিন্তু আমাদেরকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন আমাদের শিক্ষক ছিলেন ড. খান সরওয়ার মোর্শেদের মতো মানুষ। জ্যোতির্ময় গুপ্তা,  সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তখনও ডক্টরেট হননি, ইয়াং টিচার ছিলেন। তখন খুব উজ্জ্বল ব্যক্তিরা ছিলেন। মুনীর চৌধুরী ছিলেন বাংলায়- এই রকম বিখ্যাত মানুষের সান্নিধ্যে থেকে তাদের যে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে তাদের যে শিক্ষাটা সেটা আমাদের খুব কাজে লেগেছিল। তখন কিন্তু একটা বিদ্ধস্ত সমুদ্রের মধ্যে দাঁড়িয়ে আমরা পুরো সমাজ। সেই উত্তাল সময়ে আমাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করবার একটি ব্যপার ছিল। আমরা ভবিষৎয়ের স্বপ্ন দেখতে পারতাম। শিক্ষা কমিশনের রেপোর্ট, তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, যতো অত্যাচার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এই জিনিসগুলি তখন তৈরি হয়ে যাচ্ছিল। বলা হলো যে, রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়া যাবে না, তার গান গাওয়া যাবে না।  আমরা কিন্তু দারুণভাবে প্রতিবাদ করেছিলাম এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  যে অবদান সেটা অসীম একটা অবদান ছিল। আমি তখন এস.এম হলে থাকতাম এবং ছাত্র ইউনিয়নের সাহিত্য সম্পাদক ছিলাম আমি। ফরাস ভাই (ড. ফরাস উদ্দীন) ছিলেন ভিপি। সেই সময় প্রচুর কাজ করেছি আমরা। রামেন্দু মজুমদার, তারপরে আব্দুল্লাহ আল মামুন এরা সবাই বন্ধুবান্ধব ছিলাম।

প্রশ্ন: আপনার যে বলয় পরিবার থেকে, শিক্ষক এবং সহপাঠী প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে বিশিষ্ট মানুষেরা ছিলেন।

হায়াৎ সাইফ: আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু রশীদ হায়দার, আজাদুজ্জামান চৌধুরী-আজা চৌধুরী বলে যিনি বিখ্যাত ছিলেন। তিনি ছিলেন চিত্রালীর সম্পাদক। আমরা সকলে এস.এম হলের চারপাশে বড় হয়ে উঠেছি। 

প্রশ্ন: কবিতায় কি নিজেকে প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠল?

হায়াৎ সাইফ: ঠিক তা নয়। সে সময় প্রচুর গদ্য রচনা করা হয়েছে। এখন সব ইতিহাস হয়ে গেছে। সিকান্দার আবু জাফর এবং হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদনা করতেন সমকাল পুঞ্জিকা। সেই সমকালটি কিন্তু বেরোনো শুরু করে আমরা যখন ইন্টারমিডিয়েট পড়ি সেই সময় থেকে। রাজশাহীতে আমরা অপেক্ষা করতাম যে কখন সমকালটি যায়। সেই সময়কার লেখা আমাদেরকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। আমার একটা সৌভাগ্য হয়ে গেল হঠাৎ ১৯৬২ সনে অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি তখন আমার বন্ধু মাহাবুব জামিন  এসে বলেছে যে, তোর দুইটা কবিতা কপি করে দে। তারপর সপ্তাহ দুই পরে এসে সে এসে বললো, সিকান্দার ভাই তোর সঙ্গে দেখা করতে চায়। আমি একটু অবাকই হলাম। যাইহোক, এক সন্ধ্যায় খুব দুরু দুরু বক্ষে ওর পেছনে পেছনে গেলাম তিনি বসতেন ইনার সার্কুলার রোডে ওইখানে একটা অফিস ছিল উনি ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন। সমকালের প্রেসটাও  ওইখানে ছিল। সেখানে আড্ডা দিতেন সিকান্দার আবু জাফর, হাসান হাফিজুর রহমান, আল মাহ্মুদ, শামসুর রাহমান। গিয়ে দেখি তাদের আড্ডা চলছে। তো আমি মাহাবুব জামিনের পেছনে, উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছি তো সিকান্দার সাহেব বলে যে এই হায়াৎ সাইফ নাকি আমিতো তোমাকে বয়ষ্ক মানুষ ভেবেছিলাম। আমরাতো নতুনদের কবিতা খুব একটা ছাপি না, তবে সম্ভাবনা দেখলে ছেপে দেই-তোমার দুটি কবিতায় ছাপা হয়েছে। সেই ঘটনা আমাকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। সেই থেকে আমার নাম হায়াৎ সাইফ হয়। আমার পিতৃপ্রদত্ত নাম ছিল বিশাল, আবুল হায়াৎ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান। আমার বন্ধু আজা চৌ বলেছিলেন দেখ একটা স্মার্ট নাম বের করতে হবে। তিনি বললেন শোন তোর নামে মাথা আর লেজ কেটে দেই। তো এইভাবে নাম হলো হায়াৎ সাইফ।

তথ্যসূত্র: মাছরাঙ্গা টেলিভিশন (রাঙা সকাল, অনুষ্ঠান, ১৮ এপ্রিল ২০১৮)

গ্রন্থণা ও শ্রুতিলিখন: স্বরলিপি

Best Electronics
Best Electronics