Alexa হাতীবান্ধায় পাহাড়ি ঢলে আতংক, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট

ঢাকা, সোমবার   ২২ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬,   ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪০

হাতীবান্ধায় পাহাড়ি ঢলে আতংক, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩১ ১২ জুলাই ২০১৯  

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

উজানের পাহাড়ি ঢলে আতংকে আছেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার তিস্তা পাড়ের মানুষ। ঢলের গর্জনে পানিবন্দী এসব মানুষের চোখে ঘুম নেই। চারদিন ধরে রান্না করতে না পারায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটে ভুগছেন তারা।

উপজেলার প্রায় ১০ হাজার পরিবার এখন দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। শুক্রবার দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

তিস্তা নদীর এমন ভয়ংকর রূপ ধারণ করায় চরাঞ্চলে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বৃহস্পতিবার রাতে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরে জমিনে ঘুরে দেখেন ডিসি আবু জাফর। এ সময় তিনি পানিবন্দী লোকজনের সঙ্গে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন।

এ ছাড়া হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী তালেব মোড় ও ধুবনী এলাকা গুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় মানুষ আরো বেশি আতংকিত হয়ে পড়েছে।

চারদিনের উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারি বৃষ্টিতে বন্যায় হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, সিংগিমারী, ইউনিয়নের তিস্তা নদীর চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি প্রবাহ দুপুরে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারেজ রক্ষার্থে সবগুলো জলকপাট খুলে দিয়ে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর বলেন, বন্যা এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখছি। যেখানে যেভাবে প্রয়োজন সেই ভাবেই সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ভেঙে যাওয়া রাস্তা মেরামতের জন্য ৫ হাজার বালুর বস্তা ও জেলায় ৬৮ টন চাল ত্রাণ হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম