হাঁটা শেখার আগেই মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী তারা 

ঢাকা, রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৩ ১৪২৬,   ১২ শা'বান ১৪৪১

Akash

হাঁটা শেখার আগেই মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী তারা 

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪০ ৫ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১১:৪৩ ৫ মার্চ ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জন্মের পর থেকেই যুদ্ধ চলছিল মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে। এই যুদ্ধ যতোটা না বাবা-মায়ের ছিল তারচেয়ে বেশি ছিল ছোট্ট শিশুটির জন্য। একের পর এক কেমোথেরাপির পর প্রাপ্তবয়স্করাও অনেকসময় হার মেনে যায়। সেখানে জন্মের পরই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তা জয় করে ফিরে এসেছে তারা।

হাঁটা শেখার আগেই ক্যান্সার জয় করা ক্ষুদে বিজয়ীদের ছবি বিভিন্ন সময় সামাজিক মাধ্যমে উঠে এসেছে। নিচে ভাইরাল হওয়া কয়েকজন ক্ষুদে ক্যান্সারজয়ীর পরিচিতি তুলে ধরা হলো-

আমেরিকার নিউ জার্সির বাসিন্দা লিজেট-ক্যাথরিন দম্পতির সন্তান এভারেট পেপিন। দুই সপ্তাহ বয়সে এক ধরনের চোখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। ১৬ দিন বয়স থেকে তাকে কেমোথেরাপি দেয়া শুরু হয়। পাঁচমাস পর্যন্ত ছয়বার তাকে ফেলাডেলফিয়া শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসকের মতে মতে এভারেট ক্যান্সার রোগীদের জন্য 'রোল মডেল'। 

টেক্সাসের বাসিন্দা সোফিয়া সান্দোভাল। দুই বছর বয়স থেকে তার ব্রেইন টিউমার অপসারণের জন্য একটি অপারেশন হয়। এরপর প্রায় একমাস সোফিয়া হাঁটতে পারছিল না এবং দীর্ঘ আটমাস তার কেমোথেরাপি চলে। আটমাস পর ফের চলতে শুরু করে সোফিয়া। এমনকি তার ভাইবোনদের সঙ্গে খেলাধুলাও করছে সে। কেমোর শেষদিন ওয়ান্ডার ওমেনের পোশাকে ক্যান্সারজয়ের দিনটি উদযাপন করে সোফিয়া।

লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত টেসা। ছয়বার কেমো দিতে হয় ছোট্ট শিশুটিকে। এই পুরোটা সময় জুড়ে বাবা-মায়ের পাশাপাশি আঠার মতোই লেগে ছিলেন ডাক্তার-নার্সরাও। শেষ কেমোর দিন টেসার সব রিপোর্ট তাদের একের পর এক সুখবর দিচ্ছিলো। যুদ্ধে জয়ী হয়ে গিয়েছিলো ছোট্ট টেসা। 

যেখানে ক্যান্সার মরণব্যাধি। জীবনের হাসি কেড়ে নেয়ার মতো একটি নাম সেখানে জয়ী হয়ে ফিরে আসা ছোট্ট হাসিমুখগুলো যেন সত্যিই নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস