.ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪০

হলি আর্টিসান মামলা: পরবর্তী সাক্ষ্য ২৬ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৯ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৭:২৬ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

রাজধানীর গুলশানের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান নতুন এ দিন নির্ধারণ করেন।

এ মামলায় মোট সাক্ষী ২১১ জন; তবে এ পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন ২০ জন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দেন ওই হামলায় নিহত সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলামের ছোটভাই শামসুজ্জামান ও খালাত ভাই আনোয়ার হোসেন এবং রেস্তোরাঁর ক্রেতা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজা করিমের স্ত্রী শারমিনা পারভীন। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করছিলেন আদালত।  

হামলার পর ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তৎকালীন এসি রবিউল ইসলাম।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি হলি আর্টিসান বেকারির হিসাব রক্ষক আরিফ হোসেন সাক্ষ্য দেন। রাজধানী ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে গত ২০১৬ সালের ১ জুলাই।

বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করা এ ঘটনায় জঙ্গিরা ওই রাতে ২০ জনকে হত্যা করে; যাদের ৯ জন ইতালি, ৭ জন জাপান, ৩ জন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয় নাগরিক।  এছাড়া সন্ত্রাসীদের হামলায় দুজন পুলিশও প্রাণ হারায়। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে হামলাকারী পাঁচজনও নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আরো একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়; যাকে পরবর্তীতে হলি আর্টিসানের কর্মচারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

এ হামলা মামলার আসামিরা হলেন- হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ছয়জন কারাগারে; দুইজন পলাতক। তবে কারাগারে থাকা ছয়জনকে বুধবার আদালতে হাজির করা হয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ