Exim Bank
ঢাকা, শনিবার ২৩ জুন, ২০১৮
Advertisement

হবিগঞ্জ হাওর রক্ষা বাঁধ নিয়ে শংকা

 জাকারিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৬, ১৩ মার্চ ২০১৮

১৬২ বার পঠিত

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হবিগঞ্জে গত বছরের চৈত্রের বন্যা এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় কৃষকদের। সেই অকাল বন্যার কথা স্মরণ হলে, এখনো আঁতকে ওঠেন অনেকে। এরইমধ্যে বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি বাঁধ নির্মাণের ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

এখন পর্যন্ত শেষ হয়েছে ৫০ ভাগ বাঁধ মেরামত ও নির্মাণের কাজ। এছাড়াও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় অনেক কৃষক। আর এতে করেই নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় শংকায় রয়েছেন বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা।

হবিগঞ্জ কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে। যা নিয়ে কাজ করছেন দুই লাখ ৮০ হাজারেরও অধিক কৃষক। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যমাত্রা বানিয়াচং উপজেলায়। এ উপজেলায় প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহীদুল ইসলাম জানান, হবিগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হয় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। চলতি অর্থবছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ সমাপ্ত হবার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। এবার হবিগঞ্জে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে। ৮০ কি. মি. কাজের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হলে বরাদ্ধ এসেছে ২ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা।

শহরতলীর চানপুর গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান জানান, বাঁধ নির্মাণে নিয়ম নীতি মানা হচ্ছে না। অনেক জায়গায় দূর্বল বাঁধে অল্প মাটি দিয়েই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। তাই এবারও ফসলহানির আশংকা রয়েছে।

সদর উপজেলার চানপুর কাশিপুর এলাকায় বাঁধের কাজ করার দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার ফারুক আহমেদ জানান, তিনি ১০ লাখ টাকা প্রকল্পের বাঁধ মেরামতের কাজ করছেন। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য গত বছরের চৈত্রের অকাল বন্যায় বাঁধ ভেঙ্গে হবিগঞ্জের বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ৯০ ভাগের বেশি পাকা ও আধা পাকা ফসলি জমি তলিয়ে যায়। যাতে করে দিশেহারা পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম/আজ/আরআর

সর্বাধিক পঠিত