হঠাৎ শিক্ষকের লাথি, শ্রেণিকক্ষেই অজ্ঞান ছাত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ১৯ ১৪২৬,   ০৮ শা'বান ১৪৪১

Akash

হঠাৎ শিক্ষকের লাথি, শ্রেণিকক্ষেই অজ্ঞান ছাত্রী

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:২৪ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে ওই শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। 

বুধবার পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার সীমান্তঘেঁষা তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ে চতুর্থ পিরিয়ডে দশম শ্রেণিতে ক্লাশ নেয়ার সময় বৌদ্ধধর্মীয় শিক্ষক নন্দপাল চাকমা হঠাৎ টেবিলের ওপর উঠে এক ছাত্রীর বুকে ও পেটে লাথি মারেন। এ সময় তিনি বলেন, চাকরি গেলে যাবে তোকে আজ মেরেই ফেলব।

সহপাঠী শিক্ষার্থীদের চিৎকারে পাশের শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ছুটে আসেন এবং ওই শিক্ষকের হাত থেকে আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ের পাশে একটি বাড়িতে নিয়ে যান। পরে তাইন্দং বাজারে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই ছাত্রী তার বাড়িতে আছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সিনিয়র শিক্ষক মো. নুর নবীকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

মুঠোফোন বন্ধ থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষক নন্দপাল চাকমার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিদ্যালয়টি অভিভাবকহীন হওয়ার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় আনারও দাবি জানান।

মাটিরাঙ্গা ইউএনও বিভীষণ কান্তি দাশ বলেন, তদন্ত করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বলা হয়েছে। রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ