সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের ১৩ খুঁটি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ১৮ ১৪২৭,   ১০ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের ১৩ খুঁটি

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৮ ১৩ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৫:৫৯ ১৩ জুন ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের ১৩ খুঁটি রেখেই কার্পেটিং শেষ হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী ও করিমগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সড়কের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খুঁটিগুলো না সরানোর ফলে ঝুঁকি নিয়ে সড়কে যানবাহন চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েই চলছে। 

তারা আরো জানান, এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন বিভিন্ন যানবাহনে করে এ সড়ক দিয়ে যাওয়া-আসা করে।  দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হলেও এসব পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এতে করে দিনের বেলায় সড়কে কিছু দুর্ঘটনা ঘটছে। আর রাতের বেলায় উপজেলার বাইরে থেকে আসা অনিয়মিত যানবাহনগুলো বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তখন কাঁচামাটির সড়ক ছিল। হাওরে পল্লী বিদ্যুতায়ন শুরু হলে উপজেলার কারপাশা, বদলপুর, গৌরিপুর, শান্তিপুর, সহরমুল, জালালপুর ও নানশ্রী গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রাস্তার পাশে খুঁটি স্থাপন করা হয়। এখন সড়কটি পাকা করার ফলে প্রশস্ত হয় দ্বিগুণ। এতে বিদ্যুতের খুঁটি সড়কের মাঝখানে পড়ে যায়। কিন্তু এগুলো না সরিয়েই নিকলী অংশের প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিং (পিচ ঢালাই) কাজ শেষ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মনির উদ্দিন মজুমদার জানান, সড়কের মাঝখান থেকে খুঁটি সরিয়ে নেয়ার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ঠিকাদারের লোকজন এরই মধ্যে নতুন খুঁটি বসানোর কাজ শুরু করেছে। সড়কের মধ্যস্থল থেকে খুঁটি সরিয়ে কিছু দিনের মধ্যেই নতুন খুঁটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থানান্তর হবে।

এলজিইডির নিকলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান মুহিম জানান, নানা টালবাহানার পর কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অনুকূলে খুঁটি স্থানান্তর ব্যয়বাবদ ১২ লাখ টাকা জমা দেয়া হয়। কিন্তু এখনো খুঁটিগুলো সরিয়ে নেয়নি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। 

দুর্গম হাওর জনপদে এ সড়ক দিয়ে নিকলী উপজেলার সাতটি ইউপির লোকজন কিশোরগঞ্জ জেলা সদরসহ করিমগঞ্জ, তাড়াইল এবং দেশের যেকোনো জায়গায় যাওয়াত করে থাকেন। এটি হাওরবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ