স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা

ঢাকা, সোমবার   ০৬ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২২ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৩১ ৩ জুন ২০২০  

সংগৃহীত

সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের পাশে নেই বিএনপি। এ জেলায় দলটির দুজন এমপি থাকলেও তারা স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এ ছাড়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে জেলার ছয়টি আসনের বিএনপি প্রার্থীদেরও পাশে পাচ্ছেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী।

সবকিছুতেই এলোমেলো অবস্থা বিএনপির। করোনা পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের এমপিরা কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়ালেও সেখানে নীরব ভূমিকায় আছে বিএনপি।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া নির্বাচিত হন। এছাড়াও বিএনপির একমাত্র সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাড়িও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ইসলামপুরে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। পরে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে এমপি হন। এরপর তিনি কয়েকদফা এ আসনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেছিলেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে একবারও সংসদীয় এলাকায় আসেননি। তবে দলীয় সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া একবার এসে সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মতবিনিময় করে যান।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী ছিলেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা একে একরামুজ্জামান। তিনি একজন শিল্পপতিও। করোনা পরিস্থিতিতে তারও কোনো সাড়া পায়নি এলাকাবাসী।  

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে একটিবারের জন্যও এলাকায় আসেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের বিএনপির খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ছাড়াও তিনি একজন শিল্পপতি।

এলাকায় আসেননি একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির সাবেক প্রার্থী মুশফিকুর রহমান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্চারামপুর) আসনের আবদুল খালেক।

তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস একদিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে নাছির উদ্দিন হাজারী দুইদিন সংসদীয় এলাকায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, বর্তমানে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। কোন্দল প্রকাশ্যে না এলেও ভেতরে ভেতরে তিনটি গ্রুপে বিভক্ত জেলা বিএনপি। যে কারণে এ জেলায় বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক দলীয় কোন্দলের কথা অস্বীকার করে বলেন, জেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে কোনো কোন্দল নেই। তবে প্রতিযোগিতা আছে। নেতৃত্বে আসার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতিযোগিতা তো থাকবেই। এটাকে কোন্দল বলা যাবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস