Alexa চাঁদপুর-২: স্বস্তিতে আওয়ামী লীগ, অনিশ্চিত বিএনপি

ঢাকা, শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৯ ১৪২৬,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

চাঁদপুর-২: স্বস্তিতে আওয়ামী লীগ, অনিশ্চিত বিএনপি

 প্রকাশিত: ১৯:৩৭ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৯:৩৮ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

চাঁদপুর-২ আসনে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা

চাঁদপুর-২ আসনে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বেশি দেড়ি নেই। বিভিন্ন বিষয়ে মত পার্থক্য থাকলেও নিজ নিজ এলাকায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন সব দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। চাঁদপুরের চিত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। চাঁদপুর-২ আসনে দলীয়ভাবে স্বস্তিতে রয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে অভিভাবক শূন্য অবস্থায় অনেকটাই অনিশ্চিত বিএনপি।

চাঁদপুরের ৬টি আসনেই ছিলো এক সময় বিএনপির আধিপত্য। ২০০৮ সালে সীমানা পরিবর্তনে ৫টি আসনে পরিণত হওয়ায় এবং ক্ষমতার পালা বদলের ফলে বিএনপির দূর্গে আওয়ামী লীগ হানায় চাঁদপুরে সেই চিত্র এখন পুরোটাই অতিত।

মতলব উত্তর-দক্ষিণ উপজেলাগুলোকে নিয়ে চাঁদপুর আসন-২। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন, নানাবিধ সংকটে ও অভিভাবক শূন্যতায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। অরপদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন ও পরিক্ষিত নেতা হওয়ায় চিন্তামুক্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। একক অাধিপত্য বিস্তার করে গণসংযোগ চালাচ্ছেন তিনি।

তৃণমূল ও এলাকার লোকজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, বিদ্যুৎ, অবকাঠামোগত উন্নয়নে মনোযোগ দিয়ে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছেন মোফাজ্জল হোসেন। যদিও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরুল আমিন রুহুল প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু উপজেলা এবং তৃণমূল আওয়ামী লীগে মায়া বিরোধী অবস্থান প্রায় শূন্য।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ধারণা, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যিনি দল থেকে এ আসনে মনোনয়ন পাবেন তিনিই হবেন বিএনপির কাণ্ডারি। তাকে কেন্দ্র করে বিভক্ত বিএনপি তার হারানো যৌলস ফিরে পাবে। ফলে এ সুযোগ টাকেই কাজে লাগেতে চান বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে যারা
দলটির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. জালাল উদ্দীন, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের প্রচার সম্পাদক লায়ন সাইফুল ইসলাম সেকুল, তানভীর হুদা শুভ।

সূত্রে জানা গেছে, আতাউর রহমান ঢালী বাম ঘরানার ছাত্রনেতা, বিদেশ ফেরত এবং নব্য জাতীয়তাবাদী নেতা। তৃণমূল বিএনপিতে তেমন অবস্থান না থাকলেও দলের হাই কমান্ডদের সঙ্গে ভাল যোগাযোগ থাকায় শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবেই বিবেচ্য তিনি।

যেহেতু অনুসারীদের দিয়ে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল কমিটি করেছেন ড. জালাল উদ্দীন – তাই তিনিই হবেন ধানের শীর্ষের প্রার্থী।

আবার যেহেতু একাদশ জাতীয় এই নির্বাচনে তরুণ ও উদীয়মান নেতাদের সামনে নিয়ে আসার আগ্রহ বেশি বিএনপির সেই দিক থেকে লায়ন সাইফুল ইসলাম সেকুল ও তানভীর হুদা অন্যতম। বাবা নুরুল হুদার পরিচয় কাজে লাগিয়ে প্রচারণায় থাকা তানভীর হুদা এলাকায় পরিচিত মুখ হলেও লায়ন সাইফুল ইসলাম সেকুল একেবারেই নতুন মুখ।

এছাড়াও ওবায়দুর রহমান টিপু, শুকুর পাটোয়ারীসহ আরো অনেকেই ধানের শীষের প্রার্থী হতে চান। ফলে চাঁদপুর সংসদীয়-২ আসনে আওয়ামী লীগে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া শক্তিশালী প্রার্থী হলেও বিএনপির প্রার্থীকে – তা এখনো দৃশ্যমান নয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এসআই

Best Electronics
Best Electronics