স্বল্প আয়ের কোচদের পাশে তরফদার রুহুল আমিন

ঢাকা, বুধবার   ০৩ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭,   ১০ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

স্বল্প আয়ের কোচদের পাশে তরফদার রুহুল আমিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২৩ ৭ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১৩:৫২ ৮ এপ্রিল ২০২০

বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) মহাসচিব এবং বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফসিএ) সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন  -ছবি: ফেসবুক

বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) মহাসচিব এবং বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফসিএ) সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন -ছবি: ফেসবুক

করোনভাইরাসের প্রভাবে স্থবির বাংলাদেশ। অচল হয়ে আছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। এ সময় অসহায় হয়ে পড়েছেন দেশের অনেক সংগঠক, ক্রীড়াবিদ ও কোচ।  তাদের দিকে যে যার জায়গা থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। সে তালিকায় যুক্ত হলেন এ সময়ের আলোচিত ফুটবল সংগঠক বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) মহাসচিব এবং বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফসিএ) সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন। করোনার এই মহাদুর্যোগে স্বল্প আয়ের ও অস্বচ্ছল ফুটবল কোচদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন এ ক্রীড়া সংগঠক।

‘স্বল্প আয়ের কোচ ও খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ান’- দেশের অভিজ্ঞ কোচ কামাল বাবুর এই আহবানের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সাড়া দিলেন তরফদার মো. রুহুল আমিন। একদিন আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে সব স্বল্প আয়ের কোচ এবং খেলোয়াড়দের সহযোগিতার আহ্বান জানান কামাল বাবু।

দেশের দুস্থ ও স্বল্প আয়ের কোচদের পাশে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তরফদার রুহুল আমিন।  

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন সারা পৃথিবীতে করোনার যে ভয়াল থাবা চলছে সেখান থেকে বাংলাদেশও কিন্তু নিষ্কৃতি পায়নি। বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সমস্ত সেক্টর একটা অচল অবস্থার মধ্যে আছে। বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে তৃণমূল পর্যায় থেকে বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (বিডিডিএফএ) এবং বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশন (বিএফসিএ) কাজ করে যাচ্ছে। 

এই মুহূর্তে আপনারা জানেন যে ফুটবলের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ আছে এবং স্বাভাবিকভাবেই এর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। আপনারা এও জানেন যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনাকে যেভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে এবং তিনি সকলকে আহ্বান করেছেন যার যতটুকু সামর্থ্য আছে দুস্থ জনগণের পাশে দাঁড়াতে। এই সমস্ত বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে এবং আমরা যারা তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবল নিয়ে কাজ করি, যে সমস্ত কোচরা আছেন। দুস্থ কোচ, যারা অভাবে আছেন। তৃণমূল ফুটবলের উন্নয়নের কাজে যে সমস্ত কোচরা নিয়োজিত আছেন। যেহেতু ফুটবল খেলা হচ্ছেনা না, কোচিং হচ্ছে না ওনারা অনেকেই নিদারুণ কষ্টে আছেন। এদের অনেকেই আছেন যারা মানুষের কাছে হাত পাততে পারে না। 

তারা (কোচরা) যে অর্থকষ্টে আছেন সেটা আমরা বুঝি, অনুভব করি। আমরা বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (বিডিডিএফএ) এবং বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফসিএ) পক্ষ থেকে সমস্ত জেলার ডিএফএ’র (ডিস্ট্রিক্ট ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতিদের কাছে ইতোমধ্যে আমরা বার্তা পাঠিয়েছি। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আপনার জেলার যে সমস্ত দুস্থ, অভাবগ্রস্ত কোচ আছেন; যারা সব সময় আপনাদের পাশে থেকে তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবলার তুলে আনার কাজ করেন। ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করেন তাদের একটা তালিকা তৈরি করে অতি দ্রুত আমাদের কাছে পাঠাতে ডিএফএর সভাপতিদের অনুরোধ করেছি। একই সঙ্গে ক্লাবগুলোর কাছে অনুরোধ করেছি যে প্রতিটি ক্লাবের আওয়াত যে সমস্ত বয়োজ্যেষ্ঠ কোচ আছেন; দীর্ঘদিন ফুটবলার তৈরি কাজে নিয়োজিত আছেন, তাদের একটা তালিকা আমাদের কাছে পাঠাতে। 

এরপর আমরা দুস্থ এবং অভাবগ্রস্ত যে সমস্ত ফুটবলার আছে তৃণমূলে তাদের সহযোগিতা করে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। তাদের আমরা সহায়তা করব এবং তাদের সহায়তার জন্যও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই ব্যাপারে বাংলাদেশ জেলা বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে ক্লাবস সবাই আমরাদের সহযোগিতা করবেন এবং আপনারাও যার যেখানে যতটুকু সম্ভব দুস্থদের পাশে এসে দাঁড়ান।  ক্রীড়াঙ্গনে যারা দুস্থ, অভাবগ্রস্ত খেলোয়াড় আছেন, কোচ আছেন, অভাবী সংগঠক আছেন সবার পাশে এসে দাঁড়ান।

আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনাকে যেভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে- ইনশাল্লাহ একদিন আমরা ঘুরে দাঁড়াব। সবাই সুস্থ থাকেন, ভালো থাকেন, ঘরে বসে কাজ করেন। যেভাবে সবাইকে ঘরে থাকতে বলেছে সেভাবে থাকেন। আপনারা ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন এই দোয়া করি। আমাদের জন্যও আপনারা দোয়া করবেন। 
ধন্যবাদ.

Please Assist the Needy Football Coaches , Football Organizer , Football Player from Grassroot level

Posted by Tarafder MD Ruhul Amin on Tuesday, April 7, 2020

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস