স্টেশন মাস্টারই টিকেট বিক্রেতা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৪ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪১

Akash

সংকটাপন্ন গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন 

স্টেশন মাস্টারই টিকেট বিক্রেতা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২৫ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও যথাসময়ে টিকেট সংগ্রহ করতে পারছেন না। কাউন্টার থেকে টিকেট না পেয়ে অনেকে অতিরিক্ত মূল্যে কালোবাজারিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করছেন অথবা ফিরে যাচ্ছেন। দুটি কাউন্টারের একটি বন্ধ থাকায় টিকেট বিক্রিতে এমন বিশৃংখলা দেখা দিয়েছে। 

জানা গেছে, জনবল সংকটের জন্য স্টেশন মাস্টার নিজেই টিকেট বিক্রি করছেন। রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, দুটি কাউন্টারের একটি ভেতর থেকে বন্ধ রয়েছে। অপর কাউন্টার থেকে অত্যন্ত ধীর গতিতে টিকেট বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের লাইন স্টেশন ছাড়িয়ে বাইরে রিকশাস্ট্যান্ড পর্যন্ত চলে গেছে। কাউন্টারে পুরুষ যাত্রীদের পাশে ১০-১৫জন অসহায় মহিলা যাত্রী পৃথক লাইনে দাঁড়ালেও কাউন্টার পর্যন্ত পৌঁছতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। 

খোঁজ নিতে টিকেট কাউন্টারের ভেতর দেখা যায় বুকিং সহকারী রাকিবুল হাসান যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে টিকেট দিচ্ছেন আর পাশে কম্পিউটারের সামনে দাঁড়িয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ নিজেই টিকেট প্রিন্ট করছেন। তবে কম্পিউটার ও প্রিন্টার অত্যন্ত পুরনো বলে টিকেট প্রিন্ট হতে সময় অনেক বেশি লেগে যায়। তাই যাত্রীদের টিকেট দিতে দেরি হয়। অন্যদিকে টিকেট দিতে দেরি হয় বলে ট্রেন এসে গেলে বাধ্য হয়ে অনেক যাত্রী বাইরে থেকেই অতিরিক্ত টাকায় টিকেট সংগ্রহ করেন। আবার অনেকে টিকেট সংগ্রহ করতে না পেরে ফিরে যান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, কি করবো? দুই কাউন্টারের জন্য ছয়জন লোক দরকার। কিন্তু আছে তিনজন। আট ঘণ্টা করে ২৪ ঘণ্টায় তিনজন ডিউটি করে। আর ভিড়ের সময় একজনের পক্ষে সামাল দেয়া সম্ভব নয়। তাই একটি কাউন্টার বন্ধ রেখে নিজেই সহায়তা করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস