স্টিফেন হকিং সম্পর্কে যা জানেন না

ঢাকা, শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

স্টিফেন হকিং সম্পর্কে যা জানেন না

 প্রকাশিত: ১৩:৩৮ ১৪ মার্চ ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পর্দার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মারা গেছেন। ৭৬ বছরে বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন তিনি। স্টিফেন হকিংয়ের পরিবার তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজে তার নিজ বাস ভবনে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন হকিং।

ব্ল্যাক হোল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে আসছিলেন স্টিফেন হকিং। এছাড়াও তিনি তার বিখ্যাত বই ‘এ ব্রিফ স্টোরি অব টাইম’এর জন্য অমর হয়ে থাকবেন।

আরো পড়ুন> পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মারা গেছেন

জেনে নিন স্টিফেন হকিং সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।

স্টিফেন হকিংয়ের জন্ম
হকিংয়ের জন্ম হয় ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি। যা গ্যালিলিও এর জন্মের ঠিক ৩০০ তম মৃত্যুবার্ষিকীর দিন।

স্কুলে খারাপ ছাত্র ছিলেন হকিং
স্টিফেন হকিংয়ের যখন নয় বছর বয়স তখন তিনি ছিলেন ক্লাসের সর্বশেষ মেধাক্রমের ছাত্র অর্থাৎ পেছনের দিক থেকে প্রথম।

আইনস্টাইন খ্যাত স্টিফেন
যদিও পরীক্ষায় কম পেতেন তবুও তার বুদ্ধির তীব্রতায় শিক্ষকদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। বিজ্ঞান সর্ম্পকে আগ্রহের কারণে শিক্ষক আর বন্ধুরা আদর করে ডাকতেন আইনস্টাইন।

আরো পড়ুন> স্টিফেন হকিং সম্পর্কে সাত বিস্ময়কর তথ্য

অক্সফোর্ডে ভর্তি
বাবার ইচ্ছে ছিলো ছেলে ডাক্তারি পড়বে নয়তো অক্সফোর্ডে পড়বে অথচ টাকা ছিলো না। স্টিফেন হকিং তাই অংশগ্রহণ করলেন স্কলারশিপ পরীক্ষায় এবং টিকেও গেলেন সফলতার স্বাক্ষর রেখে।

কসমোলোজি তার প্রিয় বিষয়
ছোটবেলা থেকে প্রচন্ড আগ্রহ ছিলো গণিতে অথচ অক্সফোর্ডে এসে বেছে নিলেন ফিজিক্সের একটি অপ্রচলিত শাখা কসমোলজি।

বোট রেসার স্টিফেন
আত্মজীবনী লেখক ক্রিস্টিন লার্সেন এর ভাষ্যমতে স্টিফেন হকিং ভার্সিটি জীবনের প্রথম দিকে ছিলেন অনেক বেশি নিঃসঙ্গ। তাই হয়তো একাকিত্ব দূর করতেই যোগ দিয়েছিলেন কলেজের বোট রেসিং টিমে। সবচেয়ে মজার কথাটি হলো তার দায়িত্ব ছিল রেসের সময় নৌকার হাল ধরে রাখা এবং এই কাজটি তিনি এতো সফলতার সাথে করেছিলেন যে অল্পকিছুদিনেই হয়ে উঠেছিলেন পুরো অক্সর্ফোডে বিপুল জনপ্রিয়।সপ্তাহে ছয়দিন সন্ধ্যায় প্র্যাকটিস করতে হতো বোট চালানোর। যা তার পড়ালেখায় মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল।

প্রণয় ও পরিণয়
গ্রাজুয়েশন শেষ করে ক্রিসমাসের ছুটিতে বাড়ি আসতেই তার পরিবারের সদস্যরা তার অসুস্থতার বিষয়টি খেয়াল করেন। সেই সময়ই নিউ ইয়ার পার্টিতে দেখা হয় জেনির সাথে ।তার একুশ সপ্তাহ পর যখন ডাক্তারের পরীক্ষায় তিনি জানতে পারলেন তিনি ল্যাটেরাল স্ক্লেরেওসিস এ আক্রান্ত। তখন তার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যায় কারণ তাকে বলা হয় তার বেঁচে থাকার সময়মাত্র কয়েকবছর। কিন্তু সেখানে লিউকেমিয়ায় মরণাপন্ন এক শিশুকে দেখে তিনি ফিরে পান বেঁচে থাকার প্রেরণা। তাই জেনিকে নিয়ে শুরু হয় প্রণয় জীবনের।

আবিষ্কার
১৯৮৩ সালে জিম হার্টলের সাথে আবিষ্কার করেন মহাবিশ্বের আকার আকৃতি সর্ম্পকে অজানা তথ্য।

ছোটদের বইয়ের লেখক
২০০৭ সালে স্টিফেন হকিং তার মেয়ে লুসি হকিং এর সাথে মিলে লিখেছিলেন ছোটদের বই "George`s secret Key to the Universe" যা জর্জ নামের ছোটো বালকের কাহিনি কিন্তু যাতে রয়েছে ব্ল্যাকহোলসহ নানা বৈজ্ঞানিক ধারণা। ২০০৯ সালে বের হয়েছে এই বইয়ের পরবর্তী পর্ব।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ