.ঢাকা, বুধবার   ২০ মার্চ ২০১৯,   চৈত্র ৫ ১৪২৫,   ১৩ রজব ১৪৪০

আমন ধানে কৃষকের মুখে হাসি

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৬:৩৯ ৮ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৬:৩৯ ৮ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এ মৌসুমে লক্ষমাত্রার অধিক জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ বছর ফলন অধিক ভাল হওয়ায় স্থানীয় কৃষকের মুখে ফুটে ওঠেছে হাসি। কিন্তু বাজারে ধানের দর কম থাকায় সন্তোষ্ট নন স্থানীয় কৃষক। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে অনেক কৃষক তাদের জমির পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন। ১০/১৫ দিনের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটা।

উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার বলেন,চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ২০ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা ছিল। তারমধ্যে ২০ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে উফশী, ধানী গোল্ড ও স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। যা লক্ষমাত্রার অধিক জমি। কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ১০/১৫ দিনের মধ্যে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে। এ বছর উপজেলায় প্রায় ৫৪ হাজার মেঃ টন ধান উৎপাদন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গৌরীপুর উপজেলার পাতরাইল গ্রামের কৃষক ওয়ালী উল্লাহ ফকির বলেন, তিনি প্রায় ৫ একর জমিতে বিনা-৭, ধানী গোল্ড ও স্থানীয় জাতের আমন ধান আবাদ করেন। এ বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে যা প্রায় বোর ফসলের সমান। কাঠা (১০ শতক) প্রতি তার জমিতে ৫ থেকে ৬ মন ধান উৎপন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ একর ৮০ শতক জমির পাকা ধান কেটে তিনি ৫৬০ টাকা মন দরে তা বাজারে বিক্রি করেছেন। আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের ওয়ালী উল্লাহ’র মুখে হাসি ফুটে ওঠলেও, ধানের ন্যায্য মুল্য না পেয়ে সেই হাসি ম্লান হয়ে গেছে। তিনি এসময় বলেন ধানের দর ৭শ থেকে ৮শ টাকা মন হলে কৃষকের জন্য ভাল হতো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম