সেজেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, অপেক্ষা সংবর্ধনার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

সেজেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, অপেক্ষা সংবর্ধনার

 প্রকাশিত: ২১:৩৬ ২০ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ২১:৪৭ ২০ জুলাই ২০১৮

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনা উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। রাজপথেও চোখে পড়ছে প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের তথ্যসংবলিত পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানার।

এ গণসংবর্ধনাকে ঘিরে উদ্যানের উত্তর দিকে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল। যেখানে বসতে পারবেন ৩০ হাজার নেতাকর্মী। মূল প্যান্ডেলে ২০ হাজার আর উত্তর-দক্ষিণে ১০ হাজার মোট ৩০ হাজার জন নেতাকর্মী বসার ব্যবস্থা করা হযেছে এবার।

শনিবার মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, অস্ট্রেলিয়ায় গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড এবং সর্বশেষ ভারতের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিলিট ডিগ্রি অর্জন করা প্রধানমন্ত্রীকে এ সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ। এর জন্য প্রস্তুত সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এখন শুধু অপেক্ষা গণসংবর্ধনার।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের তথ্যসংবলিত পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানার লাগানো হয়েছে।

উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ায়িং ইনস্টিটিউটের দিকের গেইটের সামনে শেখ হাসিনার শৈশব থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত কয়েকটি ছবি একটি বিলবোর্ড সাটানো। একই ছবি মঞ্চের ডান পাশে স্বাধীনতার জাদুঘরে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে।

গণসংবর্ধনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এবারে বক্তব্য বেশি থাকবে না। জাতীয় সংসদের উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এখানে বক্তব্য রাখবেন, যাকে ঘিরে আমাদের এই আয়োজন, সেই নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও গণসংবর্ধনায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানান কাদের।

শনিবার বেলা ৩টা থেকে শুরু হয়ে দুই ঘণ্টার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্যে আগামী নির্বাচনের বার্তা থাকবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তারপর একটি স্মারক পাঠ করা হবে। সংবর্ধনাস্থলে প্রবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সাতটি প্রবেশ পথই খোলা থাকবে।

এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সড়কে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা, প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যগাঁথা তুলে ধরার হয়েছে বিলবোর্ড-প্ল্যাকার্ডে মাধ্যমে।

শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শাহবাগ থেকে বিমানবন্দরমুখী রাস্তা, কদম ফেয়ারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বড় ছবি আর বিলবোর্ড। তাতে লেখা আছে শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন, অর্জন আর সাফল্যের জয়গাঁথা।

শেরাটন মোড়ে আর কাওয়ান বাজারের মোড়ে নৌকা প্রতীক ঝুলছে। তাতে- গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা লেখা রয়েছে। আবার কাওয়ানবাজারে কেমন হবে ঢাকাবাসীর মেট্রোরেল-তার নকশা করা অবিকল মেট্রোরেলে প্রতিকৃতিতে বাসানো হয়েছে।



শাহবাগের ওভারব্রিজে শোভা পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ফেস্টুন। আর রাস্তার দু’পাশে শেখ হাসিনার বাণী, তার নেতৃত্বাধীন সরকারের নানা অর্জন –স্লোগান আকার প্ল্যাকার্ডে তুলে ধরা হয়।

প্লাকার্ডগুলো লেখা আছে- ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নযনশীল দেশে উন্নতি’,‘মহাকাশ বিজয়’,‘গ্লোবাল ওইমেন্স লিডারশীপ’, ‘আসোনসেল কবি নরুজল বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডিলিট উপাধি’,‘তুমি শেখ হাসিনা অন্যান্য’, ‘বিশ্ব জয়ী নেতা তুমি শেখ হাসিনা/ মানবিকতায় তুমি অন্যান্য’,নির্যানতিত রোহিঙ্গাদের পাশে বিপন্ন মানুষের সহায় আপনি বিশ্ব শান্তির বাতিঘরসহ নানা ধরনের স্লোগান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সেরা সৎ ব্যক্তিদের একজন, পরিশ্রমী সেরা রাষ্ট্রনায়কদের একজন; এটা তো অভূতপূর্ব সাফল্য এবং জাতির জন্য গর্বের বিষয়। সে কারণেই এই সংবর্ধনা।

তাই আমরা কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান জাতির পিতার কন্যাকে সংবর্ধনা দিচ্ছি বলে দাবি করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই