Alexa সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত

ঢাকা, সোমবার   ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৪ ১৪২৬,   ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফজিলত

সাদিকা আক্তার  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:০৬ ২৯ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ২২:০৯ ২৯ জানুয়ারি ২০২০

সূরা হাশরের শেষর তিন আয়াতের। সংগৃহীত

সূরা হাশরের শেষর তিন আয়াতের। সংগৃহীত

হজরত মাকাল ইবনে ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে তিন বার আউজু বিল্লাহিস সামিঈল আলিমি মিনাশশাইত্বানির রাঝিম-সহ ‘সূরা হাশরের’ শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য আল্লাহ তায়ালা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন।

সে ফেরেশতারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর আল্লাহর রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। যদি ওইদিন সে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন তবে সে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে।

আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যার সময় এ আয়াতগুলো পাঠ করবে তার জন্যও আল্লাহ তায়ালা ৭০ হাজার রহমতের ফেরেশতা নিয়োগ করবেন। যারা তার ওপর সকাল হওয়া পর্যন্ত রহমত প্রেরণ করতে থাকবে। আর যদি ওই রাতে সে মৃত্যুবরণ করে তবে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে। 

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সূরা হাশরের শেষর তিন আয়াতের ফজিলত-

সূরা হাশরের শেষর তিন আয়াত। সংগৃহীত

উচ্চারণ: হুওয়াল্লাহুললাজি লা ইলাহা ইল্লাহু- আলিমুল গাইবি ওয়াশশাহাদাতি হুওয়ার রাহমানুর রাহিম। হুওয়াল্লাহুল লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু- আল মালিকুল কুদ্দুসুসসালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুন। হুওয়াল্লাহুল খালিকুল বারিউল মুছাওয়্যিরু লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউসাব্বিহু লাহু মা ফিচ্ছামাওয়াতি ওল আরদি ওহুয়াল আজিজুল হাকিম।

অর্থ: সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞাণী আল্লাহ তায়ালার নিকট বিতারিত শয়তান থেকে আশ্রয় চাহিতেছি তিনিই আল্লাহ! যিনি ব্যতিত কোনো মাবুদ নাই। তিনি সব গুপ্ত ও প্রকাশ্যের জ্ঞ্যনী। তিনি পরম করুনাময় দয়ালু। তিনিই আল্লাহ! যিনি ব্যতিত কোনো মাবুদ নাই। তিনি মহান বাদশাহ, অত্যন্ত পবিত্র, শান্তিদাতা, নিরাপত্তা বিধানকারী, রক্ষনাবেক্ষন কারী, সম্মানের অধিকারী, মহত্তের অধিকারী, গর্বকারী, মুশরিকদের শিরক হতে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র। তিনি আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা, সঠিকভাবে প্রস্তুতকারী, আকৃতিদান কারী, তাঁহার জন্য সুন্দর সুন্দর নাম রহিয়াছে। আসমান সমূহে ও জমিনে যাহা কিছু আছে সবই তাঁহার পবিত্রতা বর্ননা করে। এবং তিনি সম্মানের অধিকারী মহান কৌশলী।

জেনে রাখুন: এটা নিতান্তই একটা ব্যক্তিগত আমল। এখানে সংঘবদ্ধভাবে একজন বলবে এবং বাকি লোক শুনে পরে সবাই একসঙ্গে শব্দ করে পড়ার নিয়ম কখনোই ইসলাম শিক্ষা দেয়নি। তাই এ ব্যাপারে আপনারা একটু সতর্ক থাকুন।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা সবাইকে এ ফজিলতপূর্ণ আমলটি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে