Alexa সুস্থ আত্মা পরিগঠন: সম্ভাব্যতা ও উপায়

ঢাকা, রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২ ১৪২৬,   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

সুস্থ আত্মা পরিগঠন: সম্ভাব্যতা ও উপায়

শায়খ ড. উসামা বিন আব্দুল্লাহ খাইরাত ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৫২ ৩ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:০৩ ৩ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বায়তুল্লাহ’র মিম্বার থেকে- মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি মাসনূণ সালাত ও সালামের পর:

হে আল্লাহর বান্দাগণ! মহান আল্লাহকে ভয় করুন। যেদিন কারো কোনো সুপারিস ও বিনিময় চলবে না, সেদিন আসার আগে তাঁর কাছে আত্নসমর্পণ করুন, তাঁর আদেশ মানা, সন্তুষ্টির কাজ করা এবং যে ওহী দিয়ে নবী মুহাম্মাদ (সা.)-কে আল্লাহ তায়ালা প্রেরণ করেছেন-তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করুন! 

যেসব কাজ করলে আল্লাহ তায়ালা রাগান্বিত হন, কঠিন ‘আজাবের কারণ হয় এবং রহমত বিরত করে ও জান্নাতের সম্মানজনক স্থান হারিয়ে দেয়-সেসব কাজ পরিত্যাগ করুন এবং সতর্ক হোন!

হে আল্লাহর বান্দাগণ! নিশ্চয়ই কলব বা আত্মার জন্য অত্যাবশ্যক করণীয় ‘আমলের মধ্যে রয়েছে- মহান আল্লাহর প্রতি নিষ্ঠা,তাঁর ওপর ভরসা,তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তন, তাঁর নিখাদ ভালোবাসা, তাঁরই সাহায্যের স্বরণ, তাঁর আদেশের আনুগত্য ও অনুকরণ এবং ভয়, আশা, সবর ও দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা। কলবের জন্য হারাম কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে- কুফরী, সংশয়, মুনাফেকী, শির্ক প্রভূতি মানুষের অবস্থার সঠিকতা, কাজের অবিচলতা, পন্থার শুদ্ধতা, মর্যাদার উচ্চতা, অবস্থানের উঁচুতা, জীবনের পবিত্রতা ও পরিণামের কমনীয়তা নির্ভর করে তার দেহের একটি অঙ্গের সুস্থতার ওপর, ওই অঙ্গের স্বচ্ছতা ও শুচিতা, শুদ্ধতা এবং নিরাপত্তার ওপর। সেটি হলো কলব বা আত্মা-যার মহান মর্যাদা, গভীর প্রভাব ও কর্তৃত্বের শক্তি সম্পর্কে অবহিত করেছেন হিদায়েতের নবী রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,

‘জেনে রেখো,নিশ্চয় মানবদেহে রয়েছে একটি মাংসপিন্ড- সেটি সুস্থ থাকলে পুরো দেহ সুস্থ থাকে আর সেটি বিনষ্ট হলে পুরো দেহ নষ্ট। সেটি হলো কলব বা অন্তঃকরণ।’ (নু‘মান ইবনু বাশির (রা.) সূত্রে সহীহুল বুখারী-হা: ৫২ ও সহীহ মুসলিম-হা: ১০৭/১৫৯৯)।

হাদিসটি পরিস্কার প্রমাণ করে, কলবের পরিশুদ্ধিই সব কল্যাণের মূল, বান্দাকে যে নিয়ামতে ভূষিত করা হয়। আবার সেটিই যাবতীয় অনিষ্টের মূল, যার মাধ্যমে সে দুর্ভাগা ও হতভাগা হয়। কেননা কলব যখন সুস্থ হয়- যাতে থাকে শুধু আল্লাহ তায়ালা এবং তিনি যা পছন্দ করেন তার ভালবাসা আর তাঁর ভয় ও তাঁর অপ্রিয় কিছুতে জড়িত হওয়ার ভয়, তখন সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আচরণ ঠিক হয়ে যায়। তার হৃদয়ে এর মাধ্যমে এমন প্রেরণা তৈরি হয় যা নিষিদ্ধ থেকে বিরত রাখে, হারাম থেকে মুক্ত করে এবং তাতে লিপ্ত হওয়া থেকে আগাম সতর্কতা হিসেবে সন্দেহমূলক বিষয় থেকেও দূরে রাখে।

পক্ষান্তরে কলব যখন হয় নষ্ট, প্রবৃত্তির অনুগামী এবং নিজ প্রভুর সন্তুষ্টিবিমুখ, তখন সব অঙ্গের আচরণই বখে যায়। যা তাকে বিচ্যুত করে, সরল পথ থেকে সরিয়ে দেয়, হ্বক থেকে বিমুখ করে এবং মহান আল্লাহর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাকে উদ্বুদ্ধ করে পাপের পঙ্কে দূষিত হতে এবং ভেজালে মুখ ঢোকাতে। তাই কলবের অবিচলতা ঈমানের অবিচলতার কারণ। যেমনটি বর্ণিত হয়েছে ইমাম আহমদ সংকলিত মুসনাদ গ্রন্থে হাসান সনদে। আনাস ইবনু মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,

‘কোনো বান্দার ঈমান স্থির হয় না যে যাবৎ তার কলব স্থির হয়।’ (আল হাদিস)।

ঈমান অবিচল হয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ‘আমল অবিচল হওয়ার মাধ্যমে। আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের‘আমল অবিচল হয় না কলব অবিচল না হওয়া পর্যন্ত। কলব তখনই অবিচল হয় যখন তা আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর অনুগত্যের ভালবাসায় এবং তাঁর অবাধ্যতার ঘৃণায় পরিপূর্ণ হয়। এটা তখনই হয় যখন কলব ও এর অনুগত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আল্লাহ তায়ালার ইবাদত ও তাঁর করণীয় সম্পাদন না করে এবং বর্জন না করে হারাম বিষয়াদি।

কলবের জন্য আরো নিষিদ্ধ গুনাহগুলোর মধ্যে রয়েছে-রিয়া, আত্নতুষ্টি, গর্ব, অহংকার, মহান আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া, মহান আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিরাপদ ভাবা, মুসলমানদের কষ্ট দেখে আনন্দিত পুলকিত হওয়া, বিপদে তাদের ভর্ৎসনা করা, তাদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করা এবং এসবের অনুঘটক অন্যান্য গুনাহ, যার সম্পর্কে ইমাম ইবনু কাইয়্যুম (রা.) বলেছেন, ‘ব্যভিচার ও মদপানের চেয়েও কঠিন কবিরাহ গুনাহ।’

সংশয় ও প্রবৃত্তির মতো আত্নিক রোগগুলোর সবচেয়ে বড় ওষুধ আল্লাহ তায়ালার কিতাব ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ শক্ত করে ধরা এবং আঁকড়ে থাকা। এ দুইয়ের পথে পরিচালিত হওয়া। এ দু‘য়ে যা এসেছে তদনুযায়ী আমল করা। ছোট-বড় বিষয়ে এ দুইকে বিচারক ও সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে মানা। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاء لِّمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ

‘হে মানবকুল, তোমাদের কাছে উপদেশবানী এসেছে তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য।’ (আল কোরআন, সূরা: ইউনুস, আয়াত: ৫৭)।

অন্যত্র মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন,

وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ وَلاَ يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إَلاَّ خَسَارًا

‘আমি কোরআনে এমন বিষয় নাজিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।’ (আল কোরআন, সূরা: বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৮২)।

এর আরেক পথ্য সর্বদা আল্লাহ তায়ালার জিকির করা, তাঁর সামনে বিগলিত হওয়া এবং তাঁর দ্বীনের ওপর কলবকে অবিচল রাখার দোয়া করা। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর দোয়ায় বেশি বেশি বলতেন, ‘হে অন্তরগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী আল্লাহ! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের ওপর সুদূঢ় করে দাও!’ (ইমাম আহমদ তদীয় মুসনাদ (হা: ২৬৫৭৫) এবং আত তিরমিযী তদীয় জামে গ্রন্থে সহিহ সনদে)।

আরেকটি চিকিৎসা, ব্যাহিক ও আত্নিক হারাম কাজ পরিহার করা। এসবের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর মহান আল্লাহর হারাম তথা অপাত্রে দৃষ্টি দেয়া। কুদৃষ্টি কলব দূষিত করে। এক পূর্বসূরি মনীষী বলেন,‘দৃষ্টি হলো কলব আক্রান্তকারী বিষাক্ত তীর।’এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা লজ্জাস্থান সংযত রাখার পাশাপাশি দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশও দিয়েছেন, যা লজ্জাস্থান অসংযত হওয়ার প্রধান প্রেরণা। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ

‘মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাজত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।’

وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاء وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

‘ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত: প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’ (আল কোরআন, সূরা: আন নূর, আয়াত: ৩০-৩১)।

মনে রাখতে হবে-আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূল (সা.)-কে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরুপ প্রেরণ করেছেন।

ইরশাদ হচ্ছে-

وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ

‘আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।’ (আল কোরআন: সূরা: আল আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)।

তাই রাসূল (সা.)-এর শরীয়তের যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমেই আত্নাকে শুদ্ধ করতে হবে। যে ব্যক্তি তাঁর (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনুগত্য করবে না, বুঝতে হবে সে প্রকৃত কল্যাণকামী নয়। আর তার প্রবণতা তাকে নির্ঘাত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। এমন অনেক অসুস্থ নারী-পুরুষ আছেন, যারা সাময়িক কষ্ট ভেবে সেবাকারীদের প্রত্যাখান করে, তাহলে তো নিজেরই ক্ষতি সাধন করল। তদ্রুপ প্রিয় নবী (সা.)-এর শরীয়াত বাস্তবায়নে যারা
অপরাধীর প্রতি দয়া দেখায়,তাদের কলব বা আত্না বিপর্যস্ত হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِئَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ

‘ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।’ (আল-কোরআন, সূরা: আন নূর, আয়াত: ২)।

কাজেই আল্লাহর দ্বীন মানে তাঁর ও রাসূল (সা.)-এর আনুগত্য করা। আর তা মহান আল্লাহর ও তাঁর রাসূল (সা.)- এর মুহাব্বতের ওপর নির্ভরশীল। যে আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূলের মুহাব্বতকে অগ্রাধিকার দেবে, সে দ্বীন পালনে কখনো বিপদগামী হবে না। তাছাড়া শয়তান সর্বদা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে কৌশল অবলম্বন করে থাকে। যে দ্বীন পালনে ধীরগতি, তাকে সে দিকে ঝুঁকিয়ে দিয়ে এবং যে দ্বীন পালনে কঠোর, তাকে কঠোরতার মাঝে ফেলে বিভ্রান্ত করে। আর আল্লাহ তায়ালা তো সীমালঙ্গনকারীকে ভালবাসেন না। তাই আমরা মহান আল্লাহর সমীপে প্রার্থনা জানাই এবং বলি,

 ربَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ 

‘হে প্রতিপালক! আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করে দাও এবং আমাদের কাজ-কর্মে যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে তা মোচন করে দাও! আমাদেরকে দৃঢ় রাখো এবং কাফিরদের ওপর আমাদেরকে সাহায্য করো!’ (আল-কোরআন, সূরা: আলে ইমরান, আয়াত: ১৪৭)।

সংগ্রহে: প্রিয়ম হাসান

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে