সুশান্তের অ্যাকাউন্টে অর্ধ কোটি রুপির গড়মিল

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২০,   আশ্বিন ১৭ ১৪২৭,   ১৪ সফর ১৪৪২

সুশান্তের অ্যাকাউন্টে অর্ধ কোটি রুপির গড়মিল

বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪৪ ৪ আগস্ট ২০২০  

সুশান্ত সিং রাজপুত

সুশান্ত সিং রাজপুত

অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মুম্বাই পুলিশকে।  তার উপর বিহার পুলিশের কাছে সুশান্তের পরিবার এফআইআর দায়ের করার পর থেকে অস্বস্তিতে রয়েছে মুম্বাই পুলিশ।

এবার বিহার পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে অভিযোগ এনে বলেন, সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর দিকে একেবারেই নজর দেয়নি মুম্বাই পুলিশ। তিনি বলেন, সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে গত চার বছরে রহস্যজনকভাবে ৫০ কোটি রুপি টাকা তোলা হয়েছে। এর মধ্যে গত এক বছরে তোলা হয়েছে ১৫ কোটি।

ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পাণ্ড সংবাদ সংস্থা আইএনএস’কে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা কি খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়? আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। আমরা তো প্রশ্ন করবোই যে, কাকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে?

এর আগে বিহার পুলিশের ডিজিপি অভিযোগ আনেন, এই মামলা তদন্তের প্রধান হিসেবে মুম্বাইয়ে পৌঁছানো পাটনার (সেন্ট্রাল) এসপি বিনয় তিওয়ারিকে জোর করে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সুশান্তের ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট এসপি’র সঙ্গে ভাগ করা তো দূর কথা, তাকে ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছে।  

যদিও সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুম্বাই পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিং বলেন, সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে বড় অঙ্কের কোনো টাকা সরসারি রিয়া চক্রবর্তী বা তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়নি। 

পাটনা পুলিশের কাছে দায়ের এফআইআর-এ সুশান্তের কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা গায়েব হওয়ার অভিযোগ এনেছিল প্রয়াত অভিনেতার পরিবার। এই অভিযোগও অস্বীকার করেন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, তার অ্যাকাউন্টে ১৮ কোটি রুপি ছিল। যার মধ্যে ৪.৫ কোটি রুপি এখনো রয়েছে।

সুশান্তের মৃত্যুর ছয়মাস আগে শুরু করা দুটি কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রিয়া ও তার ভাই শৌভিক। সেসব কোম্পানির আর্থিক লেনদেনের দিকটাও খতিয়ে দেখবে ইডি। এই সপ্তাহেই রিয়া ও তার পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি।

এর আগে, গত ২৫ জুলাই সুশান্তের মৃত্যুর প্রায় ৪০ দিন পর প্রয়াত অভিনেতার পরিবার এই মামলার প্রথম এফআইআর দায়ের করে পাটনার রাজীব নগর থানায়। সেই এফআইআরের ভিত্তিতেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রিয়া ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।  

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস