সুপার ওভারেও ভাগ্য খুললো না খুলনার

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৪ ১৪২৬,   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

সুপার ওভারেও ভাগ্য খুললো না খুলনার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

 প্রকাশিত: ১৭:৩৫ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৭:৫৪ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের(বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটানস। টস হেরে ব্যাটিং করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানের লড়াকু স্কোর সংগ্রহ করে খুলনা। কিন্তু লাভ হলো না। শেষ বলে টাই হওয়ায় ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়।কিন্তু সুপার ওভারে ও ভাগ্য খুললো না খুলনার। সুপার ওভারে হেরে টানা পরাজয়ের স্বাদ পেল খুলনা টাইটানস।

শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খুলনার ছুঁড়ে দেয়া ১৫১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আঘাত পায় চিটাগং ভাইকিংস। জুনায়েদ খানের বলে স্ট্রালিংয়ের হাতে বল তুলে দেয় আহমেদ শেহজাদ(১০)। ডেলপর্ট ও ইয়াসির আলীর ব্যাটে এগোয় ভাইকিংস। এবার তাইজুল ইসলামের বলে ব্রেথ ওয়েটের হাতে বল তুলে দেন ডেলপর্ট(১৭)। তরুন ইয়াসির আলী চিটাগংকে ৪১ রানের এক ইনিংস উপহার দিয়ে ব্রেথ ওয়েটের হাতে ক্যাঁচ হয়ে ঘরে ফেরেন।

একই ভাবে ব্রেথ ওয়েটের হাতে ক্যাঁচ হয়ে নিজেকে মেলে ধরার আগেই ফেরেন হাসন রাজা(০)। শরিফুলের বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত(১২)। অধিনায়ক মুশফিক দলকে এগিয়ে নিচ্ছিল দক্ষতার সাথে। কিন্তু ব্রেথ ওয়েটের বলে পিছনে মারতে গিয়ে শরিফুলের হাতে ৩৪ রানে ক্যাঁচ হন এই ব্যাটসম্যান। এরপর নাঈমের ব্যাটে স্বপ্ন দেখে ভাইকিংস।

কিন্তু তা ৫ বলেই ভেঙে যায়। যদিও নাঈম ৮ রান করে শেষ সময়ে দলকে এগিয়ে দেয়। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি ভাইকিংসকে। ৬ বলে ১৯ রানের সময় সৃষ্টি হয় এক রোমাঞ্চকর ঘটনা। ফ্রিলিংক একাই সৃষ্টি করে রোমাঞ্চ। ১ বলে ১ রানের সময় রান আউট হয় ফ্রিলিংক। আর ম্যাচ টাই হওয়ায় খেলা সুপার ওভারে গড়ায়। 

সুপার ওভারে প্রথমে ১১ রান নিতে সমর্থ হয় ভাইকিংস। জবাবে ১০ রানেই শেষ হয়ে যায় খুলনার ওভার।

প্রথমে টস হেরে ব্যাটিংয়ে আসে খুলনা টাইটানসের পল স্টারলিং ও জুনায়েদ সিদ্দিক। দলীয় ৩১ রানে প্রথম উইকেট পতন হয় খুলনার। নাঈম হাসানের বলে আবু জায়েদের হাতে বল তুলে দেন খুলনার ওপেনার পল স্টারলিং(১৮)। পলের পরে একই ভাবে ক্যাঁচ তুলে দেন জুনায়েদ সিদ্দিকও। তবে এবার শিকারি রবার্ট ফ্রিলিংক। এরপরে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও মালানের ব্যাটে শতক পার করে খুলনা। কিন্তু আবু জায়েদের বলে ক্যাঁচ তুলে দিয়ে জুটি ভাঙেন মালান(৪৫)।

মাঠে আসেন ব্রাথ ওয়েট। ৫ বলে ১২ রান নিয়ে ক্যাঁচ তুলে দিয়ে ফেরেন এই ক্যারাবীয়। নাজমুল হাসান শান্ত দাঁড়াতে পারেনি ক্রিজে। তিনিও ক্যাঁচ তুলে দিয়ে ফেরেন। এরপর আর উইকেট পড়েনি খুলনার। ওভার শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৫১ রানে থেমে যায় খুলনার ইনিংস।

চলতি আসরে চারটি  ম্যাচ খেলে একটিতেও জয়ের দেখা পায়নি মাহমুদউল্লাহরা। অন্যদিকে তিনটি ম্যাচ খেলে দুইটি ম্যাচ জয় পেয়েছে মুশফিকরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস