সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় আবারো বন্যা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=193194 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় আবারো বন্যা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৬ ১০ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:২৮ ১০ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জে ১১ উপজেলা আবারো বন্যার কবলে পড়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে জেলার নতুন নতুন এলাকা। জেলার সদর, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক, দোয়ারা বাজারে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে।  

শুক্রবার দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তীর উপচে শহরের কয়েকটি এলাকায় প্রবেশ করেছে পানি। তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। 

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নবীনগর, বড়পাড়া, মল্লিকপুর, ওয়েজখালী ও কালীপুর এলাকায় সুরমা নদীর তীর উপচে পানি প্রবেশ করেছে। 

গত সপ্তাহে বন্যায় জেলায় খামারিদের ৩ হাজার পুকুরের ২২ কোটি টাকার মাছ ভেসে যায়। ৩০০ কোটি টাকার সড়ক অবকাঠামোর ক্ষতি হয়। ৩ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমির আউশ ধান ও বীজতলা পানিতে ডুবে নষ্ট হয়। এছাড়া হাওর এলাকার অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, দুদিন থেকে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি হচ্ছে সুনামগঞ্জের উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে। জেলায় ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা ১৮৩ মিলিমিটার। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি সমতলের ৭.৪৬ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে যাদুকাটার নদীর পানি ৭.৭৮ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। 

আলামিন, শফিক, আলীনূর মিয়াসহ জেলার হাওরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছরেই প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয় আমাদেরকে। হাওর পাড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জায়গা নেই। গত সপ্তাহে বন্যা হয়েছে আবারো বন্যা দেখা দিয়েছে। এখন কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেবো এই নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই।  

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, সুনামগঞ্জে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে নদ-নদীর পানি, হাওরের পানি আবারো বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ