সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে লাদাখে গেলেন মোদি
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191711 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৮ ১৪২৭,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে লাদাখে গেলেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৯ ৩ জুলাই ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে লাদাখে গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালেই তিনি বিশেষ বিমানে  আচমকা লাদাখের লেহ ঘাঁটিতে যান মোদি। তারসঙ্গে ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান চিফ অব ডিফেন্স জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনা প্রধান নরবণে।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে বর্তমানে "নিমু" এলাকায় রয়েছেন তিনি।

ওই সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, উনি খুব ভোরেই ওই এলাকায় পৌঁছে যান। সেখানে তিনি পদাতিক সেনা, বায়ুসেনা এবং আইটিবিপি (ইন্দো-টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ) -এর কর্মীদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন। যে এলাকায় তিনি এখন আছেন সেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১,০০০ ফুট ওপরে, জ্যানস্কর রেঞ্জের ওই এলাকা খুবই দুর্গম।

কয়েক মাস ধরে চলা সীমান্ত উত্তেজনা মারাত্মক হয়ে ওঠে গত ১৫ জুন। গালওয়ান উপত্যকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে নিরস্ত্র সংঘাতে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হন। ওই ঘটনার পর লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

লাদাখে দুই দেশের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনার বিষয়ে গত সপ্তাহেই 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী। 

লাদাখ সংঘর্ষের বিষয়ে খুব স্পষ্টগলায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, "যারা লাদাখে ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে তাকানোর সাহস দেখিয়েছে, তাদের যোগ্য জবাব দেয়া হয়েছে। কীভাবে বন্ধুত্ব রাখতে হয়, সেটা যেমন ভারত জানে, তেমনই কীভাবে কারও সঙ্গে যুঝতে হয় এবং জবাব দিতে হয়, সেটাও দেশের জানা রয়েছে। কাউকে ভারত মাতার সম্মান খর্ব করার অনুমতি যে দেয়া হবে না, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন আমাদের সাহসী সেনারা।

তবে সীমান্তে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে হওয়া সংঘর্ষে ক্ষতির মুখে পড়েছে লাল ফৌজের শিবিরও। চীন স্বীকার না করলেও ভারতীয় সেনা বিশ্বাস করে যে কমবেশী ৪৫ জন চীনা সেনা হতাহত হয়েছে ওই দিন।

এদিকে পাংগং লেকের ফিঙ্গার পয়েন্ট থেকে এখনো সরেনি চীনের সেনা। শান্তি ফেরাতে দুই দেশের মধ্যে সামরিক স্তরে দফায় দফায় বৈঠক হলেও মেলেনি কোনো সমাধানসূত্র। বরং ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, দেখা যাচ্ছে দু'দেশই সীমান্ত এলাকায় আরো বেশি সংখ্যক সেনা মোতায়েন করছে। সব মিলিয়ে বেশ থমথমে অবস্থায় ভারত-চীন পারস্পরিক সম্পর্ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এই লাদাখ সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ