Alexa সিলেটে দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী, টিলা ধসের শংকা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৭ ১৪২৬,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সিলেটে দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী, টিলা ধসের শংকা

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:৫৯ ১৬ জুলাই ২০১৯  

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

সিলেটে বন্যায় দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী। মহানগরীর প্রায় ২০টি এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। সোমবার রাত পর্যন্ত সুরমার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে নদী রক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে। ফলে নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে কিছু কিছু এলাকা।

এদিকে পাহাড়ি ঢলে কালিঘাট বাজারের বেশির ভাগ দোকান ও শাহজালাল উপশহরের পানি উঠেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নগরের কালিঘাট ব্যবসায়ীরা। অতিবৃষ্টিতে সিলেটের গোলাপগঞ্জ এলাকায় টিলা ধসে পড়ছে।

সিলেট নগরীর মিরাবাজারে জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল ও কলেজের সরকারি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখানে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৮০টি বন্যা আক্রান্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সিলেট নগরী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ৫০ হাজার নগরবাসী। পানিবন্দি হয়ে নগরের নিচু এলাকার বাসিন্দারা।

কালিঘাট, শাহজালাল উপশহর, তেররতন, মেন্দিবাগ, যতরপুর, সোবহানিঘাট কাচাবাজার, মাছিমপুর, ছড়ারপার, চালিবন্দর, খরাদিপাড়া, ঘাসিটুলা, মোল্লাপাড়া, দক্ষিণ সুরমার হবিনন্দি, পাঠানপাড়া, আলমপুরের নিম্নাঞ্চলসহ ২০টি এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীসহ মানুষজন।

ওসমানীনগরের ইউএনও মো. আনিছুর রহমান বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বালুর বস্তা ফেলা হয়েছে। উপজেলার সাদীপুর ইউপির সাদীপুর উচ্চবিদ্যালয়, খসরুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাজ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুরিকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। শনিবার রাত থেকে উপজেলা হেকোয়াটারে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যার্তদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিমও গঠন করা হয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার প্লাবিত হয়েছে উপজেলার আরো কিছু নিঁচু এলাকা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৪০হাজার মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায় গতকাল রোববার ফেঞ্চুগঞ্জ কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার ২.০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফেঞ্চুগঞ্জের ইউএনও মো. জসীম উদ্দিন বলেন, বন্যা দুর্গতদের জন্য উপজেলার এ পর্যন্ত ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরইমধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ, ঘিলাছড়া ও উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের বন্যা দুর্গতদের মধ্যে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। তবে গোয়াইনঘাট উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Best Electronics
Best Electronics