সিলেটে জমকালো সাজ, জমেছে কেনাকাটা

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৭ ১৪২৬,   ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

সিলেটে জমকালো সাজ, জমেছে কেনাকাটা

আহমেদ জামিল, সিলেট ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৪:৫১ ২৩ মে ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘিরে সিলেটের বিপনী বিতানগুলোতে তোরণ, আলোকসজ্জাসহ নানা রূপে সাজানো হয়েছে। এসব বিপনী বিতানগুলোতে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। পাশাপাশি ফুটপাতেও জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। এদিকে, ঈদের বাজারে বাড়তি নিরাপত্তার দিতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।

নগরীর বিভিন্ন মার্কেট ও অভিজাত শপিংমলগুলোতে নিজ ও প্রিয়জনের জন্য পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। আর ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত রয়েছেন দোকানীরা। রমজানের শুরুতেই অনেকে ঈদের বাড়তি ‘কালেকশন’ রেখেছেন। শুধু তাই নয় নগরীর হোটেল নুরজাহান গ্র্যান্ড এবং পানসি ইন এ চলছে মহিলা গ্র্যান্ড ঈদ শপিং নামের ঈদ মেলা। দেশি-বিদেশি নানা রকম পোশাকের স্টল দিয়েছেন বিক্রেতারা।

অভিজাত শপিংমল ছাড়াও নিম্নবিত্ত শ্রেণির লোকেরা ফুটপাতের কেনাকাটা করছেন। বাহারী রঙের কাপড়ের পসরা সাজিয়ে রেখেছেন দোকানীরা। সেখানে চলছে ভালো বেচাকেনা।

ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, গরমের কারণে এবার ঈদে সুতি কাপড়ের চাহিদা বেশি রয়েছে। সেই সঙ্গে বেনারশি, জর্জেট, কাতান, সিল্ক, শার্টিন ও জুট কাতানের বিক্রি ভালো হচ্ছে। তরুণীদের জন্য এবারো ‘সারারা’র চাহিদা রয়েছে। সারারার সঙ্গে চলছে পালাজ্জো। সারারা ছাড়াও এবার গারারাতেও তরুণীদের চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া গাউন, নন্দিনি, বেলবেট, ট্রেইল, লম্বা স্কার্ট, লম্বা কামিজ সব মার্কেটে ভালো চলছে। গাউনের মধ্যে ফ্লোর টাচ গাউনের চাহিদা বেশি। আবার কেউ কেউ লম্বা গাউনের সঙ্গে বাহারি ওড়নাও পছন্দ করছেন।

চন্দ্রবিন্দু’র পরিচালক মো. কবির খান বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এবার ঈদের বাজার ব্যতিক্রম। অন্যান্য সময় ক্রেতারা প্রথমে ঘুরতে আসে পরে কিনতেন। তবে এবার ঘুরতে এসে কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা। পনেরো রমজান থেকে পুরোদমেই চলছে কেনাকাটা।

তিনি আরো বলেন, গত রমজান থেকে এবার বেচাকেনা ভালো। এবার নিরবে ক্রেতারা মার্কেটে এসে আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন। রমজানের শুরু থেকেই বিক্রি ভালই চলছে।

মাহা ফ্যাশন হাউজের বিক্রয় কর্মী জেসমিন চৌধুরী বলেন, গত ঈদের মত এবারো ফ্লোর টাচ গাউনের চাহিদা রয়েছে। তবে গতবারের মত এবারো ‘সারারা’তে তরুণীদের চাহিদা রয়েছে। আর ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বরাবরের মত এবারো রয়েছে।

এসএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুসা বলেন, রমজান উপলক্ষে নগরজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা রয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঈদের নিরাপত্তা। ১৫ রমজান থেকে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। নয়াসড়ক, জেল রোড, কুমারপাড়া ও জিন্দাবাজারের বিভিন্ন মার্কেটে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ২০ রমজানের পরে আরো নিরাপত্তা বাড়ানো হবে।

তিনি আরো বলেন, ঈদ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন সড়ক যানজট মুক্ত রাখতে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ