সিরাজগঞ্জে পাঁচ উপজেলার তিনটিতে আওয়ামী লীগের জয়

ঢাকা, রোববার   ১৬ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ২ ১৪২৬,   ১১ শাওয়াল ১৪৪০

সিরাজগঞ্জে পাঁচ উপজেলার তিনটিতে আওয়ামী লীগের জয়

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৩ ১১ মার্চ ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের পাঁচ উপজেলার তিনটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ৯টায় বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা শুরু করেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রাত ১টার দিকে বেলকুচি উপজেলায় সর্বশেষ ফলাফল ঘোষিত করা হয়। 

রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসার মাসুদ রানা বলেন, এ উপজেলার ১০৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোতেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইমরুল হাসান তালুকদার ইমন ৭৯ হাজার ৩৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম হোসেন সরকার শোভন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৫৩ ভোট।

চৌহালীর ইউএনও আবু তাহির বলেন, উপজেলার আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফারুক হোসেন সরকার ৩৪ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন নয় হাজার ৭৫৪ ভোট পেয়েছেন। 

শাহজাদপুরের ইউএনও নাজমুল হুসেইন খান বলেন, উপজেলার ১৩৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্র স্থগিত ঘোষিত হয়। বাকি ১৩৭টি কেন্দ্রের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যক্ষ আজাদ রহমান দুই লাখ ১৯ হাজার ৬২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুক্তার হাসান পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৮ ভোট। 

তাড়াশের ইউএনও ইফফাত জাহান বলেন, এ উপজেলার স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি ৩৯ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সঞ্জিত কুমার কর্মকার পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৪৫ ভোট।

অপরদিকে বেলকুচি উপজেলায় দুই দফা ভোট গণনা শেষে রাত পৌনে ১টায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম সাজেদুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন বলেন, নুরুল ইসলাম সাজেদুল ৩৭ হাজার ৭৪৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর সেরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৩ ভোট। 

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জেলার আটটি উপজেলায় ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে উল্লাপাড়া উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। বাকি সাত উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে দুইটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাতটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস