Alexa সিডনি বার্নস: ইতিহাসের মোস্ট কমপ্লিট বোলার

ঢাকা, রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৪ ১৪২৬,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সিডনি বার্নস: ইতিহাসের ‘মোস্ট কমপ্লিট’ বোলার

 প্রকাশিত: ২০:৩৪ ২৮ এপ্রিল ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

তার চেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট আছে কম করে হলেও ৫০ জনের।

টেস্ট ক্যারিয়ারে সর্বসাকুল্যে উইকেট পেয়েছেন ১৮৯ টি। তারপরেও সিডনি বার্নস সর্বকালের সেরা বোলার কিনা এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে দেখে অনেকে অবাক বিস্ময়ে চোখ কপালে তুলে ফেলতে পারেন।

২০০ উইকেটের ক্লাবেই ঢুকতে পারেননি যে বোলার, সে আবার সর্বকালের সেরা বোলার হয় কী করে? আর এখানেই ক্রিকেট পরিসংখ্যানের শুভঙ্করের ফাঁকি।

ক্রিকেটে একটি কথা খুব প্রচলিত- পরিসংখ্যান একটি আস্ত গাধা।

পরিসংখ্যান দেখে সবকিছু বোঝা যেমন যায় না, তেমনি পূর্ণাঙ্গভাবে বিচার ও করা যায় না। কথাটা বোধহয় সিডনি বার্নসের চেয়ে ভালোভাবে আর কারোর ক্ষেত্রেই খাটে না।

পরিসংখ্যান আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তবে ক্রিকেট ইতিহাস নিয়ে যাদের সামান্য পড়াশোনা কিংবা আগ্রহ আছে, সিডনি বার্নসের সামর্থ্য কিংবা গ্রেটনেস নিয়ে তাদের মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ থাকার কথা নয়।

পেস বিবেচনায় নিলে সিডনি বার্নসকে বলতে হবে মিডিয়াম পেসার। তার বলের গতিকে তুলনা করা হতো অ্যালেক বেডসারের বলের গতির সাথে। ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ মাইল গতিতে বল করতে পারতেন।

তবে তাকে এক কথায় মিডিয়াম পেসার বলে দেয়াটাও মুশকিল। তিনি নিজে যে নিজের পরিচয় স্পিনার হিসেবে দিতেই বেশি ভালোবাসতেন!

ইতিহাসের ‘মোস্ট কমপ্লিট’ বোলার কে, এই প্রশ্নের উত্তরে বেশিরভাগ বোদ্ধাদের উত্তরেই আসে সিডনি বার্নসের নাম। সুইং, সিম, স্পিন- একাধারে তিনটিতেই পারদর্শী ছিলেন তিনি!

শুনতে খানিকটা অসম্ভব মনে হলেও সিডনি বার্নস আসলে এমনই ছিলেন। ইনসুইং, আউটসুইং দুটোই ছিল ভয়ংকর। বেশি ভয়ংকর ছিল লেট সুইং। সাথে লেগ স্পিন, অফ স্পিন, টপ স্পিন তিনটিতেই ছিলেন সমান পারদর্শী!



সিডনি ফ্রান্সিস বার্নসের জন্ম ১৮৭৩ সালে ইংল্যান্ডে। শুরু থেকেই পেস বোলিং করা বার্নসের ১৮৯৪ সালে প্রথম শ্রেণির অভিষেক ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে।

ওয়ারউইকশায়ার তাকে চুক্তির প্রস্তাব করেছিলো, কিন্তু চুক্তির শর্তাবলী বার্নসের কাছে এতটাই হাস্যকর লেগেছিলো, চুক্তির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ার লীগের দল রিশটনের হয়ে সই করলেন।

রিশটনে তার সাফল্য দেখে ওয়ারউইকশায়ার আররো তিনবার তাকে চুক্তির প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু তার অর্জনে হিংসান্বিত হয়ে তাকে উপেক্ষা করেন ওয়ারউইকশায়ারের বাকি খেলোয়াড়েরা।

তবে একবার চুক্তির প্রস্তাব পাঠিয়েও এক অপেশাদার খেলোয়াড়কে খেলানোর জন্য ওয়ারউইকশায়ার সেই চুক্তির প্রস্তাব ফিরিয়ে নিলে বার্নস এতটাই অপমানিত বোধ করেন যে আর কখনোই ওই ক্লাবের হয়ে খেলার কথা বিবেচনায়ও আনেননি।

তবে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে বার্নসের উত্থানের পেছনে একটা আগ্রহোদ্দীপক গল্প আছে। ১৯০১/০২ এ ইংল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়া সফরই ছিলো এমসিসির (মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব) অধীনে শেষ কোনো সিরিজ।

এই সফরের জন্য ইংলিশদের অধিনায়ক নির্বাচন করা হয় ল্যাঙ্কাশায়ার অধিনায়ক আর্চি ম্যাকলারেনকে। দল নির্বাচনের সম্পূর্ণ দায়িত্বও দেয়া হয় তার কাঁধেই।

অধিনায়ক তার দলে চাইলেন ইয়র্কশায়ার জুটি জর্জ হার্স্ট ও উইলফ্রেড রোডসকে, ইয়র্কশায়ারকে কাউন্টি চ্যাম্পিয়ন করার পথে দুজনে মিলে নিয়েছেন চারশর ও বেশি উইকেট!

কিন্তু ইয়র্কশায়ারের লর্ড হকের সাথে ম্যাকলারেনের খুব একটা বনিবনা ছিলো না। হক তাই তার দুই বোলারকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালেন। তখন ম্যাকলারেনের খেয়াল হলো বার্নসের কথা।

কিছুদিন আগেই ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে লেস্টারশায়ারের বিপক্ষে লীগের শেষ ম্যাচে আগুনে বোলিং করেছিলেন বার্নস, ৭০ রানে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। ল্যাঙ্কাশায়ারের অধিনায়ক হিসেবে সেই ম্যাচে বার্নসকে কাছ থেকেই দেখেছিলেন ম্যাকলারেন।

খোঁজ খবর নেয়ার পর বার্নসকে ওল্ড ট্রাফোর্ডের নেটে ডেকে পাঠালেন ম্যাকলারেন। সুযোগ পেয়ে বার্নস নেটে গতি দিয়ে ভড়কে দিলেন ম্যাকলারেনকে। বাঁ উরুতে কয়েকবার আঘাত করলেন, গ্লাভসেও ছোবল দিল তার বাউন্সি বল।

নেট সেশন শেষে ম্যাকলারেনের কাছে এগিয়ে এসে বার্নস বললেন, ‘সরি স্যার!’ ম্যাকলারেন তখন প্রশংসাভরে বললেন, ‘তোমার ক্ষমা চাওয়ার কোনো কারণ নেই বার্নস। তুমি আমার সাথে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছ।’

কথিত আছে, এমসিসির সফরটা যদি আর এক মৌসুম আগে হতো, কিংবা ওই সফরের জন্য ম্যাকলারেনকে অধিনায়ক হিসেবে বাছাই না করা হতো, তাহলে হয়তো সিডনি বার্নসের অসাধারণ ক্যারিয়ারের গল্প লেখাই হতো না!

অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে প্রেসের উদ্দেশ্যে বার্নস বলে গেলেন, অস্ট্রেলিয়ায় কীভাবে বল করবেন সেটা নির্ভর করবে কেমন উইকেট পান তার উপর।

গিয়ে দেখলেন উইকেট খুব হার্ড, গতিকেই তাই মূল অস্ত্র বানাবেন বলে ঠিক করলেন। তিনি যে খুব বেশি গতিশীল ছিলেন তা না, কিন্তু যথেষ্ট গতিশীল ছিলেন। সাথে ছিল বলের উপর দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ। সেই গতি আর নিয়ন্ত্রণকেই বানালেন মারণশেল।

সিডনিতে প্রথম টেস্ট অপ্রত্যাশিতভাবে ইনিংস ব্যবধানে জিতে গেল ইংল্যান্ড, বার্নস পেলেন ৬৫ রানে ৫ উইকেট, তার মধ্যে ছিলো অস্ট্রেলিয়ার সেরা দুই ব্যাটসম্যান ভিক্টর ট্রাম্পার ও ক্লেম হিলের উইকেটও।

মেলবোর্নে দ্বিতীয় টেস্টে বার্নস আরো ভয়ংকর, ইংল্যান্ড হারলেও তিনি ম্যাচে নিলেন ১৩ উইকেট। কিন্তু ওই টেস্টে এতটাই বোলিংয়ের চাপ নিতে হয়েছিল, হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ে ওই সিরিজেই আর খেলতে পারলেন না।

কিন্তু বোলিং দিয়ে এরই মধ্যে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন।

এরপর বার্নসের ক্যারিয়ার কিছুটা অপ্রত্যাশিত দিকে বেঁকে গেল। ১৯০২ ও ১৯০৩ মৌসুমে নিজের সবটা উজার করে দিয়ে বল করে গেলেও ক্লাব কর্তৃপক্ষের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ছাড়তে হলো ক্লাব।

মাঝে ৫ বছর ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি, তবে ১৯০৭ এ ফেরার পর সিডনি বার্নস হয়ে উঠেন অপ্রতিরোধ্য।

১৯০৭ এর ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ইংল্যান্ড সিরিজ হেরে আসে ১-৪ এ, কিন্তু বার্নস পান ২৪ উইকেট। সিরিজে যে একটি টেস্ট জিতেছিলো ইংল্যান্ড, তাতেও ছিলো বার্নসের বড় অবদান।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৭২ রানে ৫ উইকেট নিলে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮২ রানের। ইংল্যান্ড যখন নবম উইকেট হারায়, রান তখন ২৪৩।

ওই অবস্থায় অপরাজিত ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন, শেষ উইকেটে আর্থার ফিল্ডারের সাথে যোগ করেন অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রান, ইংল্যান্ডও পায় এক উইকেটের জয়।

১৯০৯ অ্যাশেজে পান ১৭ উইকেট, ১৯১১ অ্যাশেজে হয়ে ওঠেন আরো ভয়ংকর। সিরিজে নেন মোট ৩৪ উইকেট।

এরপর এক ত্রিদেশীয় সিরিজেও ছিলেন বিধ্বংসী ফর্মে, ১০.৩৫ গড়ে নিলেন ৩৯ উইকেট। এর মধ্যে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩ টেস্টেই ৮.২৯ গড়ে নিলেন ৩৪ উইকেট, ম্যাচে দশ উইকেট নিলেন ৩ বার, ৬ ইনিংসের মধ্যে ৫ বারই নূন্যতম ৫ উইকেট করে নিয়েছেন।

বার্নসের আগুনে সবচেয়ে বেশি পুড়েছেন সাউথ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানেরাই। অজিদের বিপক্ষে ৩৬ ইনিংসে বল করে পেয়েছেন ১০৬ উইকেট। ইনিংসে ৫ উইকেট ১২ বার, আর ম্যাচে দশ উইকেট ১ বার।

সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে তো আরো ভয়ংকর। মাত্র ১৪ ইনিংসে ৮৩ উইকেট, ১২ বার ৫ উইকেটের পাশাপাশি ৬ বার ১০ উইকেট!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাত্র ২৭ টেস্টেই পেয়েছেন ১৮৯ উইকেট, গড় রীতিমত বিস্ময়কর, ১৬.৪৩। প্রতি উইকেট পেতে খরচ করতে হয়েছে ৭ ওভারেরও কম। ছোট্ট এই ক্যারিয়ারেই ইনিংসে ৫ উইকেট ২৪ বার, ম্যাচে দশ উইকেট ৭ বার।

১৯১৪ সালের মার্চে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের শেষ টেস্ট সিরিজ খেলেন বার্নস। ইংল্যান্ড সিরিজ জেতে ৪-০ তে, আর ওই টেস্টে ব্যাটসম্যানদের নিয়ে রীতিমত ছেলেখেলা করেছিলেন বার্নস।

সিরিজে মাত্র ৪ টেস্ট খেলেই ১০.৯৩ গড়ে পেয়েছিলেন ৪৯ উইকেট, শত বছর পার হয়ে গেলেও যেই রেকর্ড ভাঙতে পারেনি এখনো কেউ।

সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছিলেন জিম লেকার। ১৯৫৬ এর গ্রীষ্মে এক সিরিজে পেয়েছিলেন ৪৬ উইকেট। তবে ম্যাচ খেলেছিলেন একটি বেশি।

সিরিজে ৮ ইনিংসে বল করেছিলেন বার্নস, অন্তত ৫ উইকেট করে পেয়েছেন ৭ টি ইনিংসেই। একমাত্র যেই ইনিংসে ‘ব্যর্থ’ হয়েছিলেন, সেটিতে পেয়েছিলেন ৩ উইকেট।

৪ টেস্টের ৩ টিতেই পেয়েছিলেন অন্তত ১০ উইকেট করে, একমাত্র তৃতীয় টেস্টেই পারেননি, পেয়েছিলেন ৮ উইকেট।

জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় টেস্টে বার্নস ১৫৯ রানে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট, ওল্ড ট্রাফোর্ডে ১৯ উইকেট নিয়ে জিম লেকার বিশ্বরেকর্ড করার আগে এটিই ছিল কোনো টেস্টে একজন বোলারের সেরা বোলিং ফিগার।

ডারবানে নিজের শেষ টেস্টে দুই ইনিংসেই নিয়েছিলেন ৭ টি করে, ম্যাচে পেয়েছিলেন মোট ১৪ উইকেট।
তবে বার্নসকে নিয়ে কথা বলতে গেলে আরো বেশ কিছু জিনিস বিবেচনায় নিতে হয়।

তার ক্যারিয়ারের শুরু ও শেষের মধ্যে মোট ৫৮ টি টেস্ট খেলেছে ইংল্যান্ড, বার্নস এর মধ্যে খেলতে পেরেছেন মাত্র ২৭ টিতে। সেই ২৭ টেস্টেই পেয়ে গিয়েছিলেন ১৮৯ উইকেট, ম্যাচপ্রতি প্রায় ৭ টি করে উইকেট।

৫৮ টেস্টের প্রতিটিতেই খেলতে পারলে আর এভাবেই পারফর্ম করে যেতে পারলে ছাড়িয়ে যেতেন ৪০০ উইকেটের মাইলফলকও।

বিবেচনায় নিতে হবে আরো কিছু জিনিসও। নিজের খেলা ২৭ টেস্টের মধ্যে মাত্র ১০ টিই খেলতে পেরেছেন নিজ দেশে। অস্ট্রেলিয়াতেই খেলতে হয়েছে ১৩ টি টেস্ট, বাকি ৪ টি সাউথ আফ্রিকার মাটিতে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাত্র ১৮৯ উইকেট পেয়ে থাকতে পারেন, কিন্তু সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে তার উইকেটের সংখ্যাটা ছাড়িয়ে গেছে ৬ হাজার!

ভুল পড়েননি, সংখ্যাটা ৬ হাজারই, আরো নির্দিষ্ট করে বললে ৬২২৯ টি। উইকেটের মতই বিস্ময়কর তার ক্যারিয়ার এভারেজ। পুরো ক্যারিয়ার শেষেও তার গড় মাত্র ৮.৩৩! অবিশ্বাস্যই বটে।

শেষ করা যাক আরো একটি চমকপ্রদ তথ্য জানিয়ে। বার্নস তার শেষ টেস্ট খেলার ১৪ বছর পর ১৯২৮ সালে ইংল্যান্ড সফরে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বার্নসের বয়স তখন ৫৫, ওই বয়সে তখন তাকে ক্রিকেট মাঠে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা কল্পনা করাটাও যথেষ্টই কষ্টসাধ্য ছিল।

আপনার কল্পনা করতে কষ্ট হলেও বার্নস সত্যি সত্যিই ওই ৫৫ বছর বয়সেই ওয়েলসের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে!

চমকের এখানেই শেষ নয়, আসল চমক বাকি আছে এখনো। ওই ৫৫ বছর বয়সেও তার পারফরম্যান্স শুনবেন?

প্রথম ইনিংসে ৫১ রানে ৭ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৭ রানে ৫ উইকেট! বছর খানেক পরে সফর করতে এল সাউথ আফ্রিকা, আবারো মাঠে নেমে বাজিমাত বার্নসের। ওয়েলসের হয়ে ম্যাচে ৯০ রানে নিলেন ১০ উইকেট, কাউন্টির আরেক দলের হয়ে নিলেন ৬০ রানে ৯ উইকেট।

অবাক হওয়ার বাকি আছে আরো। পেশাদার লীগে নিজের শেষ মৌসুম খেলেছেন ৬৫ বছর বয়সে! ওই মৌসুমে তার বোলিং পারফরম্যান্স শুনবেন? ৬.৯৪ গড়ে ১২৬ উইকেট!

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

Best Electronics
Best Electronics

শিরোনাম

শিরোনামকুমিল্লার বাগমারায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৭ শিরোনামবন্যায় কৃষিখাতে ২শ’ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হবে না: কৃষিমন্ত্রী শিরোনামচামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের তদন্ত চেয়ে করা রিট শুনানিতে হাইকোর্টের দুই বেঞ্চের অপারগতা প্রকাশ শিরোনামচামড়া নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সমাধানে বিকেলে সচিবালয়ে বৈঠক শিরোনামডেঙ্গু: গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৭০৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদফতর শিরোনামডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন দুপুরে আদালতে উপস্থাপন শিরোনামডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমছে: সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক শিরোনামইন্দোনেশিয়ায় ফেরিতে আগুন, দুই শিশুসহ নিহত ৭ শিরোনামআফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩