Alexa সাড়ে ৩ কোটি টাকার টেন্ডারে সমঝোতা!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৮ ১৪২৬,   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

Akash

সাড়ে ৩ কোটি টাকার টেন্ডারে সমঝোতা!

 প্রকাশিত: ১৭:১১ ২০ ডিসেম্বর ২০১৭  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাড়ে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজের জন্য গোপন সমঝোতার খবর পাওয়া গেছে। দরপত্র তফসিল বিক্রি না করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে ইউএনও এবং জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ৯ হাজার মিটার সড়ক উন্নয়নে এইচবিবিকরণ ৩ কোটি ৪১ লাখ ৮১ হাজার প্রকল্প নেয়া হয়। এজন্য এর আগে দরপত্র আহবানও করা হয়।

সে অনুসারে গত সোমবার ও মঙ্গলবার তফসিল বিক্রি এবং আজ বুধবার দাখিল করার দিন ছিল।

এদিকে, দরপত্র পিআইও ফরম বিক্রি করেননি বলে অভিযোগ করেছেন সালেহ এন্ড সন্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ আলী ও জে এন ট্রেডার্সে বোরহান আহমেদ। তারা বলেন, আমরা তফসিল ফরম না পেয়ে পিআইও তারিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। তা বন্ধ পাই। পরে এ বিষয়ে ইউএনও’র অভিযোগ করেছি। তিনি বিষয়টি তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন।

ফটিকছড়ির ঠিকাদারদের অভিযোগ, চট্টগ্রামের দুই শীর্ষ ঠিকাদার প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার কাজ ভাগিয়ে নিতে পিআইও তারিকুল ইসলামের সঙ্গে আঁতাত করেছেন। তাই তিনি দুই দিন অফিসে আসেননি। মুঠোফোনও বন্ধ রাখেন।

বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা তার অফিস পাহারায় রেখেছি এবং সব মহলে অভিযোগ জানিয়েছি।

ফটিকছড়ির ইউএনও দীপক কুমার রায় বলেন, পিআইও তারিকুল ইসলামের ছুটি নেননি। অফিসেও আসেননি। তার মুঠোফোন বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার ১০টি প্রকল্পের ৫টি প্যাকেজের সিডিউল বিক্রির দিন ছিল। ঠিকাদাররা দরপত্র ফরম না পেয়ে আমাকে জানিয়েছেন। তফসিল ফরম সিডিউল বিক্রি ও গ্রহণ উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্ব হলেও, সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারাই সবকিছু করেন। আমি মনিটরিং করি। তাদের অনুপস্থিতিতে কিছু করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে ফটিকছড়ির প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি ঠিকাদাররা আমাকে জানিয়েছেন। আমিও চেষ্টা করেছি প্রকল্প কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের, কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এসআই

Best Electronics
Best Electronics