Alexa অবস্থান অনশন মানববন্ধন করবে বিএনপি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯,   আশ্বিন ৩০ ১৪২৬,   ১৫ সফর ১৪৪১

Akash

অবস্থান অনশন মানববন্ধন করবে বিএনপি

 প্রকাশিত: ১৭:২৯ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮   আপডেট: ১৮:৫৩ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ‍তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

কর্মসূচির মধ্যে আগামী সোমবার সারা দেশে একযোগে মানববন্ধন, মঙ্গলবার অবস্থান ধর্মঘট ও শেষ দিন বুধবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দেশব্যাপী অনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।

শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

জিয়া অরফানেজ স্ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত বৃহস্পতিবার ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তারেক রহমানসহ বাকিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই কড়া নিরাপত্তায় খালেদা জিয়াকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা এ নিয়ে সম্প্রতি জনমনে গুঞ্জন ওঠে। তবে রায় যেহেতু বিচারিক আদালত দিয়েছে তাই একে পূর্ণাঙ্গ রায় বলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি হাতে পেলেই রায় স্থগিত ও খালেদা জিয়ার জামিনে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা।

যদিও সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলনজনিত কারণে অভিযুক্ত হয়ে কারো দুই বছরের অধিক সাজা হলে সাজার পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন- এই হলো বিধান।

খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও একই বিধান। তবে আপিলের মধ্য দিয়ে ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ থাকছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সামনে।

রায় ঘোষণার দিন বিকেলে এক প্রতিক্রিয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম জিয়ার অংশ নিতে পারা না পারা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের দুটি রায় আছে, যেখানে এ ব্যাপারে কিন্তু সুনিশ্চিত বলা হয়েছে আপিল যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই মামলাটা পূর্ণাঙ্গ স্থানে যায়নি। সেজন্য ইলেকশন করতে পারবেন, আবার আরেকটা রায়ে আছে পারবেন না। এখন উনার (খালেদা) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা তাদের ব্যাপার।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই