সাব্বিরের পোস্টে ভক্তদের কঠিন দৃষ্টিভঙ্গি

.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১১ ১৪২৬,   ১৯ শা'বান ১৪৪০

সাব্বিরের পোস্টে ভক্তদের কঠিন দৃষ্টিভঙ্গি

 প্রকাশিত: ১৫:৪৪ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৫:৪৪ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

টিম বাংলাদেশের এখন আর সদস্য নন সাব্বির রহমান। বিসিবি থেকে ৬ মাসের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহিষ্কারাদেশ দেয়ার পর থেকেই সাব্বির রহমান লোকচক্ষুর আড়ালেই থাকছেন বলে বিসিবি সূত্র জানিয়েছে। এদিকে সাব্বিরের ওপর মহা চটে আছেন টিম বাংলাদেশের ফ্যানরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাব্বির রহমান এখন নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করছেন না। তিনি এখন মাথায় হেলমেট পড়ে রাস্তায় নামছেন। হেলমেট ব্যবহারের একটি ছবিও ফেসবুক পেজে আপলোড করেছেন সাব্বির। ছবি আপলোডের পর থেকে টিম বাংলাদেশের ফ্যানরা কতটা বিরক্ত তার প্রমাণ মেলে। একাধিক ফ্যান সাব্বিরের ছবির নিচে কঠিন সব পরামর্শ লিখেছেন। আবার কেউ কেউ সাহস জাগানিয়া কমেন্ট করেছেন। তবে কঠিন উক্তিই বেশি। এতে সাব্বির সম্পর্কে ফ্যানদের দৃস্টিভঙ্গি পরিষ্কার হয়ে গেছে।

সুবজ নামের এক ফ্যান লিখেছেন, ‘খালি উপরের মাথার হেলমেটের সুব্যবহার করা শিখলে হবে না। নিচের মাথাটাকেও হেলমেট ব্যবহার করাতে শিখতে হবে তোমার।’ 

আরিফ আদাব আনু বলেছেন, ‘ভাইয়া আপনাকে আবার দলে দেখতে চাই। মেয়েরা নিজেরাই দোষ করবে আর ছেলেদের নামে দোষ চাপাবে। আশা করি, এই ৬ মাসে নিজেকে গুছিয়ে সেরা একজন হয়ে মাঠে ফিরবেন।’

রাজিবুল হক চৌধুরী রাজ লিখেছেন, ‘এই ছয় মাস তাবলীগে চলে যাও, সাথে নাছির কে রাখিও। টাকা পায়সা বিকাশে পাঠিয়ে দিব।’

এছাড়া আল আমিন ইসলাম শান্ত বলেছেন, ‘দলে নিষেধাজ্ঞা খাইয়া যে তুমি পাঠাও এ চাকরি নিছ এইডা আমরা বুজছি।’  নোবেল খান উল্লেখ করেছেন, ‘৬ মাসের জন্য পাঠাও এর রাইডার হিসেবে জয়েন করায় তোমাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। ৬ মাস বেকার বসে না থেকে সময়টাকে কাজে লাগাচ্ছো, এটাই তো অনেক।’ 

আর সাকিব আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘বাংলার জনি সিন্স। তোমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারটাই যাইবো ওইসব কাজের জন্যে। আজ জাতীয় দল প্লেনে আর তুমি রাস্তার বাইকে। তুমি বাইকে উঠে হেলমেট না পড়লেও চলবে কিন্তু . . . . . অবশ্যই হেলমেট পড়বে।’

তবে এ সব কিছুই একদিন অতীত হবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট আসরের আগেই সাব্বিরের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার নিষেধাজ্ঞাও কেটে যাবে। সে সময় তিনি দলে ফিরবেন কি ফিরবেন না- এ নিয়ে সংশয় থাকতেই পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এসআই