Alexa সাফারি পার্কে উটপাখি পরিবারে তিন অতিথি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬,   ১৫ জ্বিলকদ ১৪৪০

সাফারি পার্কে উটপাখি পরিবারে তিন অতিথি

 প্রকাশিত: ১৭:০৮ ২২ মার্চ ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বালুময় মরুভূমি অঞ্চলের উটপাখির ডিম ফুটে তিনটি নতুন বাচ্চার জন্ম হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে উটপাখির ডিম থেকে বাচ্চা ফোঁটার ঘটনা ঘটলো এ পার্কে। ৮টি ডিম থেকে বুধবার দু’টি ও গত সোমবার একটি  ডিম থেকে ছানা বের হয়েছে। তিনটিই সুস্থ রয়েছে। এনিয়ে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে  উটপাখির সংখ্যা ১০ টিতে দাঁড়ালো।

পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, আকারে সবচেয়ে বড় উটপাখি আবদ্ধ অবস্থায় ৬০ বছর বেঁচে থাকে। আর প্রকৃতিতে ৪০-৪৫ বছর বাঁচে। এদের ওজন ৬৫-১৪৫ কেজি হয়ে থাকে। এরা ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে দৌঁড়াতে পারে। ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আড়াই বছর বয়সী ৬টি উটপাখি আনা হয়। এর মধ্যে ২টি পুরুষ ও ৪টি স্ত্রী পাখি ছিল। ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে প্রথমবারের মতো উটপাখির ডিম থেকে একটি ছানার জন্ম হয়। গত ২ দিনে আরো নতুন তিনটি ছানার জন্ম হয়েছে।

পার্কের অপর বন্যপ্রাণী পরিদর্শক মো. সরোয়ার হোসেন খান জানান, মা উটপাখি মোট ৮টি ডিম নিয়ে বসে তাতে তাঁ দেয়। প্রায় ৪০দিন ৮টি ডিমে তাঁ দেয়ার পর  তিনটি ডিম ফুঁটে বাচ্চা হলেও বাকিগুলো থেকে এখনও বাচ্চা পাওয়া যায়নি। আশা করা যাচ্ছে বাকি ডিমগুলো থেকেও বাচ্চা পাওয়া যাবে। নতুন বাচ্চাগুলোসহ মা উটপাখিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বেষ্টনীর এক পাশে রাখা হয়েছে। বাচ্চা ও মা উটপাখিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বলেন, সাফারি পার্কে মরুর উটপাখির ডিম ফুঁটে বাচ্চা হওয়ায় আশা  তৈরি হয়েছে। এরইমিধ্যে  প্রথম ছানাটি দেশীয় পরিবেশে সবদিক থেকে অন্যান্য উটপাখির চেয়ে আকর্ষণীয় হিসেবে বেড়ে উঠছে। ভবিষ্যতে উটপাখি থেকে আরও বাচ্চা আশা করা যাচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/আরআর