সাত বছর আগেই মিলেছে করোনার মতো ভাইরাস, গুরুত্ব দেয়নি চীন
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=192375 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২১ ১৪২৭,   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সাত বছর আগেই মিলেছে করোনার মতো ভাইরাস, গুরুত্ব দেয়নি চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:০৯ ৬ জুলাই ২০২০  

ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

চীনের উহানের ল্যাবে কৃত্রিম ভাবে করোনাভাইরাস তৈরি করা হয়েছিলো বলে দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাদুড় জাতীয় কোনো প্রাণী থেকে করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এমন তত্ত্ব অনেক ছড়িয়েছে। যদিও তা প্রমাণিত হয়নি। তবে সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ্যে আসায় বাদুড় থেকে ছড়ানোর সম্ভাবনা আরো জোরদার হল।

জনপ্রিয় ব্রিটিশ দৈনিক সানডে টাইমস -এ এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরই নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিজ্ঞানী ও গবেষক মহলে।

জানা গেছে, সাত বছর আগেই করোনার মতো একটি ভাইরাসের নমুনা চীনের উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিলো চীনের ইউনান প্রদেশ থেকে। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সানডে টাইমস’র প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে ইউনান প্রদেশের একটি পরিত্যক্ত খনিতে বাদুড়ের উৎপাত প্রচণ্ড বেড়ে গিয়েছিল। সেই খনি থেকে বাদুড়ের মল পরিষ্কার করেছিলেন কয়েকজন কর্মী। তাঁদের মধ্যে ছয় জন তীব্র নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তিন জন মারা গিয়েছিলেন।

সেসময় আক্রান্ত খনিকর্মীদের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসককে উদ্ধৃত করে সানডে টাইমস’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রান্ত ও মৃত্যু হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বলা হয়েছিলো, বাদুড়ের দেহ থেকে করোনা জাতীয় কোনো ভাইরাস ওই কর্মীদের শরীরে প্রবেশ করার ফলেই তাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই সময় ওই ভাইরাসের ‘ফ্রোজেন’ নমুনা উহানের ল্যাবে পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু তার পরে সেই ভাইরাস নিয়ে গবেষণা আর খুব বেশি এগোয়নি।

চীনেরই সার্স প্রজাতির ভাইরাস বিশেষজ্ঞ শি ঝেংলি পরবর্তীকালে ওই খনিতে অনুসন্ধান ও গবেষণা করেন। বাদুড় থেকে ছড়ানো ভাইরাসের উপর গবেষণা এবং বাদুড় অধ্যুষিত এলাকায় অনুসন্ধানের জন্য এই শি ঝেংলি ‘ব্যাট ওম্যান’ নামে পরিচিত হন। এ বছর উহানে যখন করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছিলো, তখন শি ঝেংলি বলেছিলেন, বর্তমানের এই করোনাভাইরাসের সঙ্গে র‍্যাটজি১৩ ভাইরাসের ৯৬.২ শতাংশ মিল রয়েছে। এদিকে সানডে টাইমস ওই প্রতিবেদনে দাবি করেছে, এটা প্রায় নিশ্চিত যে ইউনানের পরিত্যক্ত খনিতে পাওয়া ওই ভাইরাসটিই র‍্যাটজি১৩।

উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির ডিরেক্টর গত মে মাসেই জানিয়েছিলেন যে, র‍্যাটজি১৩ ভাইরাসের আর কোনো জীবন্ত ‘কপি’ ল্যাবে নেই। তাই এটা বলা কঠিন যে, র‍্যাটজি১৩ ভাইরাসের সঙ্গে বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কোনো মিল আছে কি নেই। অন্য দিকে উহান থেকেই যে বর্তমানের করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে, এমন প্রমাণও তাদের কাছে নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ