সাঁথিয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায় শেষ
SELECT bn_content_arch.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content_arch.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content_arch INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content_arch.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content_arch.ContentID WHERE bn_content_arch.Deletable=1 AND bn_content_arch.ShowContent=1 AND bn_content_arch.ContentID=40230 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭,   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

সাঁথিয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায় শেষ

 প্রকাশিত: ১৮:১১ ৭ জুন ২০১৮  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার সাঁথিয়ায় দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্রকল্পে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে।

এজন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। এতে এ উপজেলায় ১০ ইউনিয়নের ৫১টি প্রকল্পে ২হাজার ৫৪৩ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।

জানা গেছে, আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর প্রকল্প- তেলকুপি পুলিশ ফাঁড়ি হতে মোক্তারের বাড়ি ভায়া স্ল্যুইচগেট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত কাজে এলাকাবাসী খুশি। তৈলকুপি মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহান, রফিকুল ইসলাম, ইউনুছ আলী জানান, তারা মেম্বারকে বলে তাদের প্রকল্প এলাকার বাইরে গ্রামের মসজিদের কাছে, মাঠের মধ্যে কাজ করিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া গ্রামের কাঁচা রাস্তাটির বিভিন্ন অংশ মেরামত করিয়ে নিয়েছেন।

শ্রমিক সর্দার হযরত আলী জানান, কর্মসৃজন প্রকল্পে কাজ করতে পেরে তারা যেমন সুফল পেয়েছেন তেমনি গ্রামের মানুষের চলাচলেরও অনেক উপকার হয়েছে। আর কাজের মান সম্পর্কে তিনি জানান, ব্যক্তিগত অসুবিধার জন্য কোনো শ্রমিক না আসতে পারলে তাদের হাজিরা অফিস কেটে দিয়েছে। এতে কাজ না করে কোন শ্রমিক টাকা নিতে পারেনি। 

আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর প্রকল্প সভাপতি ইউপি মেম্বার শাহীন হোসেন জানান, তিনি শ্রমিকদের বসিয়ে বসিয়ে হাজিরা দেননি। কোনো দিন অতি বৃষ্টির জন্য গ্রামের রাস্তার কোন কোন অংশে কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় সে সময় তাদেও ছুটি দেয়া হয়নি। সে সময় গ্রামবাসীর সুবিধার্থে গ্রামের অন্য কোন অংশে প্রকল্পর বাইরেও কাজ করিয়ে নেয়া হয়েছে।

আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিরাজুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, তিনি সরকারি টাকার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করার জন্য তার পিআইসিকে নির্দেশ দেন। তিনি নিজে কাজ দেখভাল করেছেন। এতে তার এলাকার গরিব মানুষ কাজ পাওয়ার পাশাপাশি কাজ ভাল হওয়ায় গ্রামবাসী উপকৃত হয়েছেন।

সাঁথিয়া প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, কাজে ব্যাপক নজরদারি করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন ইউনিয়নে জনগুরুত্বসম্পন্ন সড়কের কাজগুলো সঠিকভাবে সংস্কার হয়েছে।

প্রকল্পের শ্রমিকদের তালিকাটি ইউএনও, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও পিআইও অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক অনুমোদিত। পিআইসি কর্তৃক ভুয়া কোনো শ্রমিক থাকার সুযোগ নেই। শ্রমিক না থাকলে বিল দেয়া হয়নি। তাই কাজ হয়েছে সঠিক। 

ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম জানান, সব জায়গায় সরেজমিন প্রকল্প পরিদর্শন করেছি। কোনো অনিয়ম হয়নি। অনুমোদিত তালিকার কোন শ্রমিক ব্যক্তিগত সমস্যায় কাজে না আসলে তার হাজিরা কেটে দেয়া হয়েছে। এতে ২য় পর্যায়ে ৩৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগাওে ফেরত দেয়া হয়েছে। যা বাংলাদেশের অন্যান্য জায়গার তুলনায় রেকর্ড। এর ফলে সরকারি টাকার সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহারের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। এ কাজে জনপ্রতিনিধি, পিআইসি ও এলাকাবাসী সহায়তা করেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর