ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়‘আম্ফান’, ঝুঁকিতে যেসব এলাকা

ঢাকা, বুধবার   ০৩ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭,   ১০ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়‘আম্ফান’, ঝুঁকিতে যেসব এলাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১৭ ১৭ মে ২০২০   আপডেট: ১৯:১৪ ১৭ মে ২০২০

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘আম্ফান’। এটি বঙ্গোপসাগর থেকে অগ্রসর হচ্ছে। অতিক্রমকালে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বায়ুর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার থাকতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর, ভারত আবহাওয়া অধিদফতর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভিত্তিক আবহাওয়া সংস্থা ইসিএমডব্লিউএফ ও যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আবহাওয়া সংস্থা নোয়া এর তথ্যানুসারে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশের পায়রা বন্দর থেকে ১২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে ভারতের তামিলনাড়ু ও অন্ধপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান করছে। 

ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বায়ুর সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮৮ কিলোমিটার/ঘণ্টা যা পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে। ২৪  ঘণ্টায় ধীরে উত্তর অভিমুখে অগ্রসর হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে দ্রুতগতিতে পশ্চিমবঙ্গ-দক্ষিণপশ্চিম বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে ২০ মে বুধবার সন্ধ্যায় অতিক্রম করতে পারে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বায়ুর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার থাকতে পারে।

আসন্ন এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং করণীয় বিষয়ে রোববার দুপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় পানি সচিব কবির বিন আনোয়ার জানান, ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে যা খুলনা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে আঘাত করতে পারে। তবে বায়ু প্রবাহের পরিবর্তনের ভিত্তিতে এটি উড়িষ্যা ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলেও আঘাত করতে পারে।

এ সময় সময় কবির বিন আনোয়ার আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান।  তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামীকাল নাগাদ আঘাত হানার সম্ভাব্য স্থান নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘূর্ণিঝড় আঘাত না হানলেও উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও উঁচু জোয়ারের সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের অনুরোধ করছি।

‘ঘূর্ণিঝড়ের দরুণ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল অতি ঝুঁকিপূর্ণ, বরিশাল বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল মাঝারী ঝুঁকিপূর্ণ এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল কম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।’

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই