Alexa সরিষা চাষে কৃষকের বাড়তি আয়

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

সরিষা চাষে কৃষকের বাড়তি আয়

দিনাজপুর প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১৩:৩৫ ১০ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৩:৩৫ ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আমন ধান কাটার পর সে জমিতেই বাড়তি আবাদ হিসেবে সরিষা চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষকরা। বোরো ধানের আবাদের আগেই সরিষা উঠে যায় ঘরে। তাই দিনাজপুরে বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষা চাষে ঝুঁকছে চাষিরা।

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও এ অঞ্চলে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে সরিষার। মাটির সুরক্ষায় চাষ হচ্ছে সরিষার। ক্ষেত থেকে মধু আহরণে অনেকটা বাড়তি আয়ের পাশাপাশি ফলন বৃদ্ধির সহায়তা পাচ্ছে কৃষক। দিনাজপুরের পথে-ঘাটে সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধ আর বিস্তৃর্ণ মাঠজুড়ে হলুদ রঙের সমারোহ। দৃষ্টিনন্দিত এ দৃশ্যে যেন জুড়িয়ে যায় প্রাণ। মননে ধারণ করে আছে সরিষা ফুলের গন্ধে ভরা সুঘ্রাণ।

বীরগঞ্জ উপজেলার কৃষক আহমেদ হোসেন বলেন, সরিষা চাষ বেশ লাভজনক ফসল। সরিষা ক্ষেত থেকে অনেকে মধু আহরণ করছেন। মধু আহরণে অনেকটা বাড়তি আয়ের পাশাপাশি সরিষার ফলন বৃদ্ধির সহায়তা পাওয়া পাচ্ছে।

বীরগঞ্জ কৃষক আলী আকবর বলেন, সরিষা চাষে তেমন কোন রাসায়নিক সার প্রয়োগ হয়না। বোরো আবাদের আগেই সরিষা আমি গত বছর ৪ বিঘা জমিতে বাড়তি ৩০ হাজার টাকা আয় করেছি।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক তৌফিক ইকবাল বলেন, গত বছর আশানুরূপ ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় এবার জেলায় ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে সরিষার চায়। দিনাজপুর জেলায় এবার প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে কিন্তু আবাদ হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর।

কৃষিবিদ মো. আব্দুল হামিদ বলেন, মাটির সুস্বাস্থ্য রক্ষায় সরিষা চাষ লাভজনক। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানে তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম