সরবরাহ বেশি, দামও বেশি

ঢাকা, শনিবার   ২৫ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৬,   ১৯ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

সরবরাহ বেশি, দামও বেশি

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৩৪ ১৬ মে ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় হাটবাজারে মৌসুমি ফল তরমুজ ও আনারস উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাজারে ফলের সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম আকাশ ছোঁয়া। বেশি দামে এসব ফল বিক্রি হওয়ায় স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ। 

বাজারে একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০টাকা থেকে ৪০০টাকা ও প্রতি হালি আনারস বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৪০০টাকায়। 

সড়ক বাজারে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় পাইকাররা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মৌসুমি ফল তরমুজ ও আনারস ক্রয় করে খুচরা বিক্রির জন্য পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। দোকানে ছোট বড় বিভিন্ন রকমের রয়েছে তরমুজ ও আনারস। তবে রমজান ও অতিরিক্ত গরম থাকায় বাজারে এসব ফলের দাম আকাশ ছোঁয়া। 

সড়ক বাজারের ব্যবসায়ী মো.কালু মিয়া জানান, এ মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আনারস ও তরমুজের ভালো ফলন না হওয়ায় চাষিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে ক্রয় করা হয়। 

তাছাড়া পরিবহন খরচ, ভাড়া দেয়া, শ্রমিকের মজুরিসহ নানা খরচ বেড়ে গেছে। তাই এসব ফলের দাম সামান্য বেশি। তিনি বলেন তরমুজ ও আনারসের বিক্রিতে অনেক ভর্তুকি দিতে হয়। বেশি সময় থাকলে তরমুজ ওজনে কমে এবং আনারস নষ্ট হয় । 

শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, মৌসুমের নতুন ফল তরমুজ বাজারে উঠেছে। তাই দেখে কেনার জন্য আসা। একটি তরমুজ ৪০০ টাকা দিয়ে কেনা হয়। যে দামে বিক্রি হচ্ছে মনে হয় আর তরমুজ খেতে পারব না। 

গৃহিনী আয়েশা আক্তার বলেন, এ প্রচন্ড গরমে ছেলে তরমুজ খেতে ইচ্ছে করে তাই বাজারে আসা। কিন্তু দাম শুনে কেনা হয়নি। পরে ছেলেকে ৫০টি লিচু ১২৫ টাকায় কিনে দেয়া হয়। 

ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম বলেন, গরম ও রমজান থাকায় ইফতারি করতে এক হালি আনারস ৩৫০টাকা দিয়ে কেনা হয়। যেখানে গত বছর এক হালি আনারস ৭০-৮০ টাকা বিক্রি হতো এখন ৩৫০ টাকায় কেনা হয়। এমন দাম থাকলে ও মৌসুমি ফল খাওয়া যাবে না। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ

Best Electronics